পাশের সব জেলায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে, নিজ জেলাতেও একটি চাইলেন বিএনপির এমপি
‘প্রতি সংসদীয় আসনে একটি করে বিশ্ববিদ্যালয়’ বিতর্কের মধ্যেই নিজ জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় চাইলেন বিএনপির নাটোর-নওগাঁ সংরক্ষিত নারী আসন থেকে মনোনীত সংসদ সদস্য সানজিদা ইয়াসমিন তুলি। তার বক্তব্য, পাশের সব জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও তার জেলায় নেই, এ কারণেই পূর্ণাঙ্গ একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চেয়েছেন তিনি।
বুধবার (১৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের নবম দিন ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট আলোচনায় বিএনপির এই নারী এমপি এসব কথা বলেন।
স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে তুলি বলেন, ‘আমি আমার এলাকার রাস্তাঘাট এবং নাটোর জেলা নিয়ে এক মিনিট কথা বলতে চাই। আমার এলাকার রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই বেহাল। আমার নিজ গ্রামের রাস্তা এখনো পাকা হয়নি। এবার ঈদে বাড়ি যেতে গিয়ে কাঁদা রাস্তায় অনেক কষ্ট হয়েছে, কিছুটা পথ হেঁটেও যেতে হয়েছে। তাই আমার এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়নের জন্য আমি জোর দাবি জানাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, আরেকটি বিষয় হলো, নাটোরের শিক্ষা ব্যবস্থা খুবই পিছিয়ে আছে। নাটোরের আশপাশের সব জেলায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও আমাদের জেলায় কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নেই। তাই আমি মাননীয় স্পিকারের মাধ্যমে নাটোর জেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জোর দাবি জানাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: বিএনপি এমপির আপত্তি, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে জামায়াত এমপির যে বক্তব্য এক্সপাঞ্জ হলো
এদিকে সানজিদা ইয়াসমিন এমন এক সময়ে এই দাবি তুলেছেন যখন ‘প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা’ সংক্রান্ত শিক্ষামন্ত্রীর একটি ভুয়া বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে। যদিও বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ওই সংবাদটিকে সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে উদ্ধৃত করে ‘প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে।
প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আলোচ্য অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী মূলত বলেছিলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ তাদের এলাকায় হাইস্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ নিয়ে আসেন। কিন্তু, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুপারিশ করেন না।’