জেলা পরিষদে যাদের প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে, সবাই দলীয়ভাবে মনোনীত
সংবিধান অনুযায়ী স্থানীয় পর্যায়ের পুরো শাসনব্যবস্থা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে হবে। কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম, ইতোমধ্যে প্রতিটি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। তারা সবাই দলীয়ভাবে মনোনীত। এটা সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। অথচ এই গণতন্ত্রের জন্য ২০১৪ থেকে আরম্ভ করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বাংলাদেশের মানুষ লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে। বর্তমান সরকার চার মাসের মতো ক্ষমতায় এসেছে, এরপরও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আমরা কিছুই জানতে পারিনি।
সোমবার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মঞ্জুরি দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় রুমিন ফারহানা এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, কেউ বলছেন, এ নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে, কেউ বলছেন পারবে না। কেউ বলছেন, দলীয় প্রতীকে হবে না বলে ‘ক্লিন ইমেজের’ যারা আছেন, তারা অংশ নিতে পারবেন। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এ বিষয়গুলো পরিষ্কার করলে সবার বুঝতে সুবিধা হতো। স্থানীয় পর্যায়ে যারা রাজনীতি করেন, তাদের জন্য।
জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে আমি আশ্বস্ত করতে পারি যে, যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা যে সিদ্ধান্তে একমত হয়েছি, সেই সিদ্ধান্তে আমরা যথাসময়ে নির্বাচন করতে পারব। তবে এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতারা অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি না, সে প্রশ্নের জবাবে কিছু বলেননি স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।