১৪ জুন ২০২৬, ১৪:৪১

৬৭০টি নতুন স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা সরকারের

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন  © সংগৃহীত

দেশের শিক্ষা অবকাঠামো সম্প্রসারণে ৬৭০টি নতুন স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষায় কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা, নতুন ক্যাডেট কলেজ স্থাপন, প্রাথমিক শিক্ষায় ইউনিফর্ম ও মিড-ডে মিল চালু এবং শিক্ষক সংকট নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

আজ রবিবার (১৪ জুন) রাজধানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষাতেও কারিগরি শিক্ষা যুক্ত করা হচ্ছে, যাতে এটি আরও কার্যকর হয়। মাধ্যমিক শিক্ষায় আমরা আরও স্কুল, কলেজ এবং ক্যাডেট কলেজ স্থাপন করার পরিকল্পনা নিয়েছি। ৬৭০টি নতুন স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে, যা একটি বড় উদ্যোগ এ ধরনের বড় কর্মসূচি আগে কোনো সরকার নেয়নি। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিল্প ও একাডেমিক সংযোগ এখনো দুর্বল, এটি উন্নত করার কাজ চলছে। দক্ষতা উন্নয়নেও আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।

আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষায় ১ কোটি ৭০ লাখ শিক্ষার্থী, ৬৫ হাজার স্কুল—চাপ সামাল দিতে নতুন উদ্যোগ

তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ও দরকার। তাই আমরা এখন গ্রাম পর্যায়ে ম্যাপিং করছি, যাতে কোনো গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়বিহীন না থাকে। আমাদের লক্ষ্য হলো দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগানো। সময় খুব বেশি নেই প্রায় ২০৪১ সাল পর্যন্ত আমাদের হাতে সময় আছে। এই সময়ের মধ্যেই আমাদের মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, বিশেষ করে শিক্ষা খাতে।

তিনি মেয়েদের জন্য স্টাইপেন্ড চালু করেছিলেন, যার ফলে মেয়েরা শিক্ষা ব্যবস্থায় বেশি যুক্ত হয়েছে। পরবর্তীতে এটি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয় এবং এখন ধীরে ধীরে ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে এটি ছেলে-মেয়েসহ সবার জন্যই চালু হবে। আমাদের সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। কারণ আমাদের দেশ জনবহুল, তাই এই জনগোষ্ঠীকে মানবসম্পদে রূপান্তর করা জরুরি।

সবশেষে তিনি বলেন, সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আমি যদি প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করি তার দ্বিতীয় বা তৃতীয় অগ্রাধিকার কী, তিনি বলবেন শুধু শিক্ষা। আমরা একটি শিক্ষিত ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে চাই। ‘আগামী বাংলাদেশ’ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।