০১ জুন ২০২৬, ০৭:৩১

ঈদের ছুটি শেষ, আজ খুলছে অফিস-আদালত

আজ খুলছে অফিস-আদালত  © সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শেষ হলো। আজ সোমবার (১ জুন) থেকে খুলছে সরকারি অফিস-আদালত। একই সঙ্গে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানও খুলবে। খুলবে অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

এর আগে গত ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। এর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা সাত দিনের ছুটি ভোগ করেন।

তবে, জরুরি পরিষেবা হিসেবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহে নিয়োজিত কর্মী, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা এবং ডাক সেবায় নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা ঈদের ছুটির আওতাভুক্ত ছিলেন না। ঈদের সাত দিনের ছুটিতে দেশের সব হাসপাতাল ও জরুরি সেবা কার্যক্রম সচল ছিল। এ ছাড়া ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন এবং এর কর্মীরাও নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

সাত দিনের ছুটি শেষে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস, ব্যাংক-বীমা কোম্পানি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং শেয়ারবাজারে নিয়মিত কার্যক্রম অবার শুরু হবে। ছুটি শেষে দেশের সব ব্যাংকে আজ থেকে আবারও স্বাভাবিক লেনদেন চলবে। একইসঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও নিয়মিত লেনদেন শুরু হবে।

এদিকে ঈদের ছুটিতে কর্মব্যস্ত নগরী ঢাকা ছিল প্রায় ফাঁকা। ছুটি শেষে রাজধানীমুখী মানুষের ফিরতি যাত্রা গতকাল রবিবার থেকে শুরু হয়েছে। যারা পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে ঢাকা ছেড়েছিলেন তারা সড়ক, রেল ও নৌপথে ঢাকা ফিরছেন। যদিও গতকাল রবিবার চিরচেনা রাজধানীকে দেখা যায়নি।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, গুলিস্তান এলাকার বাসস্ট্যান্ডগুলোয় লোকজনকে ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরতে দেখা গেছে। ফলে রাজধানীর সড়কগুলোতে মানুষ ও যান চলাচল ধীরে ধীরে বাড়ছে। সাধারণত ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে অফিস আদালতে কর্মব্যস্ততা তুলনামূলক কম দেখা যায়। এবারেও টানা ছুটির কারণে অফিস- আদালত কর্মমুখর হতে আরও দুই একদিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে গতকাল রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, গুলিস্তান, পল্টন, শাহবাগ ও বাংলামোটর এলাকায় বেশিরভাগ দোকান ও বিপণিবিতান বন্ধ দেখা গেছে। এসব সড়কে যান ও মানুষের চলাচল ছিল কম।

যাত্রাবাড়ী থেকে গুলিস্তান-ফার্মগেট হয়ে মিরপুর অভিমুখী এবং মিরপুর থেকে যাত্রাবাড়ী অভিমুখী গণপরিবহণগুলোতে যাত্রীর জন্য হাঁকডাক করতে দেখা গেছে। কিছু বাসে অর্ধেক আসন ফাঁকা দেখা গেছে।