শুভেন্দুর চক্রান্ত ঠেকাতে ঈদের দিনেও সীমান্তে কড়া নজরদারি বিজিবির
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণা অনুযায়ী, পরিকল্পিতভাবে ভারতে বসবাসকারী বাংলাভাষি মুসলমানদের ভারতীয় পুলিশ আটক করে সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দিচ্ছে। এরপর বিএসএফের হেফাজতে থাকা শতশত মানুষকে সীমান্ত দিয়ে পুশইন করার চেষ্টা চলছে। এদিকে এই চক্রান্ত ঠেকাতে রাতদিন কড়া নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে বিজিবি। মাইকিং করে সাবধান করা হচ্ছে, কেউ যেন অবৈধভাবে বর্ডার অতিক্রম করার চেষ্টা না করে।
কথিত ‘বাংলাদেশি’ অভিযোগে পুশইনের এই অপচেষ্টা রোধে সীমান্তে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে বিজিবি ও সীমান্তবাসী। তারই ধারাবাহিকতায় ঈদের দিনেও কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে সীমান্ত এলাকাকে।
জানা গেছে, ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনার হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় শতাধিক মানুষকে জড়ো করেছে বলে নিশ্চিত করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম। তাদের সাতক্ষীরা ও কলারোয়া উপজেলার কাকডাঙ্গা, কেড়াগাছি, তলুইগাছা, বৈকারী, মাদরা ও চন্দনপুর সীমান্ত দিয়ে পুশব্যাকের এই নীল নকশার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।
বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান জানান, যেকোনো পরিস্থিতি রুখে দিতে সীমান্তে বিজিবির টহল সর্বোচ্চ জোরদার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কোনো অনুপ্রবেশ বরদাশত করা হবে না। সীমান্তে অতিরিক্ত ফোর্স নিয়োগ করা হয়েছে। কোনোভাবেই আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইনশৃঙ্খলা লঙ্ঘন করতে দেয়া হবে না বলে জানান তিনি।