১৫ মে ২০২৬, ১১:২২

জ্বালানি সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান   © টিডিসি ফটো

জ্বালানি সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সাশ্রয়ী দামে এলএনজি, এলপিজিসহ জ্বালানি পণ্য আমদানির সুযোগ বাড়ানো এবং জ্বালানি খাতে দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করাই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য।

গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকালে ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরে (ডিওই) এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় মার্কিন জ্বালানি বিভাগের সদর দপ্তরে, যেখানে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং জানায়, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল ও বহুমুখী করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি সংগ্রহের ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তির আওতায় তেল, গ্যাস, ভূ-তাপীয় জ্বালানি ও জৈব জ্বালানি খাতে দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যৌথ গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।

এ সমঝোতাকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘এটি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’

তিনি এই উদ্যোগে সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট চুক্তিকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘এটি দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।