জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাব গৃহীত
বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস (জর্জ ম্যারিও বেরগোগলিও) ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি, সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরণ্যে নাগরিক ও ব্যক্তিত্ব যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের স্মরণে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে জাতীয় সংসদে।
এর আগে সকল সদস্য প্রয়াতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন। পরে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ প্রয়াতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এই অধিবেশনে এই শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
শোক প্রস্তাবের বিএনপির সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকারসহ ৩১ জন সংসদ সদস্য, জুলাই যোদ্ধা আবু সাঈদ, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ, শাহারিয়ার খান আনাস, মেহেদি হাসান জুয়েল, ফারহান ফাইয়াজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বরণ্যে নাগরিকদের নাম রয়েছে যা স্পিকার সংসদে পড়ে শোনান।
পরে সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি ও সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম শোক প্রস্তাবে সাবেক মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী, মাওলানা আবদুস সুবহান, এম কামারুজ্জামান, আবদুল কাদের মোল্লা, জুলাই যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদি, আবরার ফাহাদ, ফেলানি খাতুন প্রমূখ নাম যুক্ত করার কথা বললে তা শোক প্রস্তাবে যুক্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নবনির্বাচিত স্পিকারে হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।
শোক প্রস্তাবের প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য জীবন কর্মের ওপরে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমেদ, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জামায়াতে ইসলামের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিব রহমান পার্থ।
পরে জুলাই শহীদের ওপর পৃথক আলোচনায় অংশ নেন বিএনপির গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, গণসংহতি আন্দোলনের জুনায়েদ সাকি ও এনসিপির নাহিদ ইসলাম।