১০ মার্চ ২০২৬, ১০:০৮

সংসদ শুরু হতে পারে খন্দকার মোশাররফের সভাপতিত্বে, জামায়াত কি ডেপুটি স্পিকার দেবে?

জাতীয় সংসদ ভবন  © সংগৃহীত

আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে। অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে শুরু হতে পারে। একই সঙ্গে ডেপুটি স্পিকার পদটি জামায়াতে ইসলামী নেবে কি না, তা নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।

অধিবেশনের আগের দিন আগামীকাল বুধবার বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রথম অধিবেশনে কে সভাপতিত্ব করবেন, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। 

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দলীয় জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে এ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে তিনি কোনো কারণে দায়িত্ব পালন করতে না পারলে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করতে পারেন।

সংবিধান অনুযায়ী বিদায়ী সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে নতুন সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। তবে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করেন এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু হত্যা মামলায় কারাগারে থাকায় প্রথম অধিবেশন পরিচালনার জন্য নতুন করে একজন সভাপতির প্রয়োজন হয়েছে।

জানা গেছে, প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন এবং শোক প্রস্তাব এনে সেদিনের মতো অধিবেশন মুলতবি করা হবে।

স্পিকার পদের জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের নাম আলোচনায় রয়েছে। অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী ডেপুটি স্পিকার পদটি জামায়াতে ইসলামীকে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে বিএনপি। তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের দাবির প্রেক্ষিতে জামায়াত এখনো নিশ্চিত করেনি তারা এ পদ গ্রহণ করবে কি না।

সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৫(১) অনুযায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকলে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন। তবে বিএনপি সূত্র বলছে, এটি মূলত আনুষ্ঠানিকতা; সরকারি দলের সভা থেকে যাকে মনোনীত করা হবে, তিনিই প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন।