২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৫২

অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পরই বড় দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল

অস্ট্রেলিয়া-ব্রাজিল ম্যাচ   © সংগৃহীত

বার্সেলোনার আশঙ্কাই শেষপর্যন্ত সত্যি হলো। জাতীয় দলের হয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে পেশিতে অস্বস্তি অনুভব করায় দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মাঠ ছাড়তে হয় ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফিনিয়াকে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন জানায়, ‘ডান পায়ের উরুতে অস্বস্তি অনুভব করায় মাঠ ছাড়েন ব্রাজিলের অধিনায়ক রাফিনিয়া।’

তবে এখনো রাফিনিয়ার চোটের প্রকৃতি কিংবা গুরুতরতা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।

ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রাফিনিয়ার বদলি হিসেবে এনদ্রিককে মাঠে নামান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। এর আগে প্রথমার্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন রাফিনিয়া। ৪৫তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্রাজিলকে ২-২ সমতায় ফেরান তিনি।

এদিকে রাফিনিয়ার চোটের খবরটি এমন এক সময়ে এলো, যখন তাকে নিয়ে আগে থেকেই উদ্বিগ্ন ছিল বার্সেলোনা। কয়েকদিন আগে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’ জানিয়েছিল, দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই তারকার ওপর বিশেষ নজর রাখছিল ক্লাবটি। ব্রাজিলের হয়ে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে দীর্ঘ ভ্রমণ এবং সফরজনিত শারীরিক ক্লান্তি নিয়ে তাদের উদ্বেগ ছিল।

এর পেছনে কারণও আছে। গত মার্চে ব্রাজিল-ফ্রান্স ম্যাচে পেশির চোটে পড়েছিলেন রাফিনিয়া। সেই চোটের কারণে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে বার্সেলোনায় ফিরতে হয় তাকে। এরপর প্রায় ৫ সপ্তাহ মাঠের বাইরে ছিলেন এই উইঙ্গার।

২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে হাইতির বিপক্ষেও ডান উরুর পেছনের অংশে চোট পেয়েছিলেন তিনি। ওই চোটের কারণে জাতীয় দলের দুটি ম্যাচে খেলতে পারেননি। ‘গ্লোবো’র সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘জিই’ তখন জানিয়েছিল, পরীক্ষায় রাফিনিয়ার ডান উরুতে পেশির চোট ধরা পড়ে। একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অতীতেও একই জায়গায় একাধিকবার সমস্যায় পড়েছেন তিনি।

এবারের চোটের ক্ষেত্রে অবশ্য পরিস্থিতি কতটা গুরুতর, তা এখনো নিশ্চিত নয়। রাফিনিয়া কতদিন মাঠের বাইরে থাকবেন, সেটিও জানা যায়নি। ‘গ্লোবো’র প্রতিবেদনে ঘটনাটিকে আপাতত ডান উরুর সামান্য অস্বস্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

তবে বার্সেলোনার দুশ্চিন্তা বাড়ার অন্যতম কারণ রাফিনিয়ার দুর্দান্ত ফর্ম। আন্তর্জাতিক বিরতিতে যাওয়ার আগে চলতি মৌসুমে ক্লাবটির হয়ে মাত্র আটটি অফিসিয়াল ম্যাচেই ১৪ গোল করেছেন তিনি। এর মধ্যে স্প্যানিশ লিগের প্রথম সাত রাউন্ডেই করেছেন ১২ গোল।