০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০

অভিবাসী হয়েও শিকড় ভোলেননি মেসি, শেষ বিদায়েও ‘আর্জেন্টাইন’

লিওনেল মেসি   © সংগৃহীত

চারপাশে তখন শুধু হট্টগোল। সেই হট্টোগোলের মধ্যেই লাল জার্সির খেলোয়াড়েরা একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে উল্লাসে মেতে উঠছিলেন। জয় আর গৌরবের সেই মুহূর্তে কান্না ও ক্ষোভে ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও উত্তেজনা থামেনি। একপর্যায়ে একটি ফুটবল ম্যাচ পরিণত হয়েছিল রীতিমতো লড়াইয়ে। স্টেডিয়ামের সংগীতের সঙ্গে মিশে যাচ্ছিল জয়ী দলের সমর্থকদের উল্লাস। অন্যদিকে হারলেও নিজেদের দলের প্রতি গর্ব ও কৃতজ্ঞতার গান গাইছিল পরাজিত দলের সমর্থকেরা। সিএনএন। 

এর মধ্যেও মেসির চোখ আটকে ছিল গ্যালারির সেই অংশে, যেখানে তাঁর দেশের মানুষের ভিড় সবচেয়ে বেশি। কেউ কেউ বলেছিলেন, রাগ করে তিনি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু আসল গল্পটা ছিল অন্যরকম।

লিওনেল মেসি আসলে সেই মুহূর্তের প্রতিটি দৃশ্য নিজের স্মৃতিতে ধরে রাখতে চাইছিলেন। প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি অনুভূতি তিনি মনের মধ্যে গেঁথে নিচ্ছিলেন। কারণ তিনি জানতেন, ভবিষ্যতে অসংখ্যবার এই দিনের কথা তাঁর মনে পড়বে। আর সেই স্মৃতির উপাদান হয়ে থাকবে এই মুহূর্তের প্রতিটি দৃশ্য ও অনুভূতি।

বিশ্বকাপের ফাইনালে হেরে মেসি অবশ্যই কষ্ট পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর কান্না থামছিল না অন্য একটি কারণে। তিনি জানতেন, আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে সেটিই ছিল তাঁর শেষ ম্যাচ।

মেসি একজন অভিবাসী। ভালো সুযোগের সন্ধানে ছোটবেলাতেই তিনি নিজের দেশ ছেড়ে পরিবারের সঙ্গে অন্য দেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। নিজের ও পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলানোর আশায় আর্জেন্টিনা ছেড়েছিলেন তিনি। প্রতিদিন বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ যেমন উন্নত জীবনের আশায় নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে পাড়ি জমান, মেসির গল্পটাও অনেকটা তেমন।

তবে অন্য অনেক অভিবাসীর মতোই মেসি নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসা কখনো ভুলে যাননি। তিনি চাইলে আর্জেন্টিনার পরিবর্তে স্পেনের হয়ে খেলতে পারতেন। এমন সিদ্ধান্ত নিলে সম্ভবত তাঁর ক্যারিয়ারে তিন বা চারটি বিশ্বকাপও যোগ হতে পারত। কিন্তু তিনি কখনো নিজের শিকড় অস্বীকার করেননি।

অসাধারণ ফুটবল প্রতিভার পাশাপাশি বিদেশের মাটিতে তাঁর বিনয় ও শ্রদ্ধাশীল আচরণও তাঁকে বিশ্বজুড়ে লাতিন আমেরিকার অন্যতম আইকনে পরিণত করেছে।

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মেসি জীবনের প্রথম ১৩ বছর কাটিয়েছেন আর্জেন্টিনার রোজারিওতে। তাঁর শৈশবের গল্প এখন অনেকেরই জানা।

ছোটবেলায় মেসির শরীরে গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি ধরা পড়ে। এই সমস্যার চিকিৎসার জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেই খরচ বহন করার সামর্থ্য তাঁর পরিবারের ছিল না। এমনকি স্থানীয় ক্লাবও চিকিৎসার খরচ নিতে রাজি হয়নি।

সেই সময় এগিয়ে আসে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা। মেসির চিকিৎসার খরচ বহন করতে রাজি হয় তারা। আর্জেন্টিনাসহ লাতিন আমেরিকার অনেক দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখনো বেশ কঠিন। ফলে অনেক মানুষের কাছেই উন্নত ভবিষ্যতের জন্য দেশের বাইরে পাড়ি দেওয়াই হয়ে ওঠে একমাত্র বাস্তবসম্মত পথ।

২০০৩ সালে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেসি। ছবির ওপরের অংশে মেসি এবং নিচে বাঁ দিক থেকে তাঁর ভাই রদ্রিগো, বোন মারিয়া সল, বাবা হোর্হে, মা সেলিয়া, ভাগনে তোমাস ও ভাই মাতিয়াস।

বার্সেলোনার যুব দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মেসি নিজের প্রতিভার জানান দিতে শুরু করেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে তাঁকে খেলানোর চেষ্টা শুরু হয়। তখন তাঁর ডাকনাম ছিল ‘লা পুলগা’, যার অর্থ ‘ছোট পোকা’।

কিন্তু মেসি ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে আর্জেন্টিনার শিকড়ের সম্পর্ক ছিল খুব গভীর। ছোটবেলাতেই এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেছিলেন, তাঁর সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হলো ‘আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে খেলা।’

মেসিকে দ্রুত আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত করতে দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করে। অনূর্ধ্ব-২০ দলের হয়ে সেই ম্যাচে খেলিয়ে তাঁকে আন্তর্জাতিক ফুটবলের জন্য নিজেদের করে নেয় তারা।

এভাবেই শুরু হয় মেসির আন্তর্জাতিক যাত্রা। ২০০৪ সালের ২৯ জুন, ১৭তম জন্মদিনের মাত্র কয়েক দিন পর আর্জেন্টিনার অনূর্ধ্ব-২০ দলের হয়ে অভিষেক হয় তাঁর।

আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা তখন থেকেই তাঁকে সিনিয়র জাতীয় দলের জার্সিতে দেখতে অপেক্ষা করছিলেন। সেই অপেক্ষার অবসান হয় ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট। হাঙ্গেরির বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার সিনিয়র দলের হয়ে মাঠে নামেন মেসি।

কিন্তু অভিষেকটা ছিল একেবারেই অদ্ভুত। দ্বিতীয়ার্ধের ১৯ মিনিটে মাঠে নামার মাত্র কয়েক সেকেন্ড পরই তাঁকে লাল কার্ড দেখিয়ে বের করে দেন রেফারি। আন্তর্জাতিক ফুটবলে মেসির পথ যে সহজ হবে না, সেই ম্যাচ যেন শুরুতেই তার একটি অদ্ভুত ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিল।

আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সিতে মেসি কীভাবে কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছেন, তা বুঝতে তাঁর পথচলার দিকে একটু ফিরে তাকানো দরকার। তাঁর গল্প অনেকটা সিনেমার নায়কের মতো—কাদামাটি থেকে আকাশে উঠে আসা।

মেসি যখন জাতীয় দলে পা রাখেন, তখন আর্জেন্টিনার ফুটবল ছিল হতাশা ও ব্যর্থতায় জর্জরিত। দেশটি তখন জাতীয় দলের পুরোনো গৌরব ফিরিয়ে আনতে নতুন ‘ম্যারাডোনা’ খুঁজছিল।

ঠিক সেই সময় মেসি ছিলেন বাঁ পায়ের খেলোয়াড়, তাঁর গায়ে ছিল ১০ নম্বর জার্সি, আর মাঠে নামলেই তিনি সবাইকে মুগ্ধ করতেন। ফলে দিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে তাঁর তুলনা ছিল একদিকে অনিবার্য, অন্যদিকে ভীষণ অন্যায্য। এই তুলনা মেসির কাঁধে বিশাল চাপ তৈরি করেছিল।

বার্সেলোনার হয়ে মেসি যখন একের পর এক শিরোপা জিতছিলেন, তখন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে কোনো বড় শিরোপা তাঁর হাতে উঠছিল না। নিজের দেশেই তাঁকে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে।

অনেকে তাঁর জাতীয় দলের জার্সির প্রতি ভালোবাসা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁর আচরণ নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। এমনকি ম্যাচ শুরুর আগে তিনি ‘জাতীয় সংগীত গান না’—এমন অভিযোগও নিয়মিত শুনতে হয়েছে তাঁকে।

অথচ চাইলে তিনি বিশ্বের অন্য কোনো দেশের হয়ে খেলে তুলনামূলক সহজ পথ বেছে নিতে পারতেন। কিন্তু মেসি সব সমালোচনা শান্তভাবে সহ্য করেছেন। ধৈর্য ধরে নিজের কাজ করে গেছেন এবং নিজের আচরণ দিয়ে উদাহরণ তৈরি করেছেন।

এরপর এলো ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপ। আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের মাটিতে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপে ২৪ বছর পর ফাইনালে ওঠে আর্জেন্টিনা।

সবকিছু যেন স্বপ্নের মতো চলছিল। মনে হচ্ছিল, এবার বহু প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে ফিরবেই। কিন্তু জার্মানির পরিকল্পনা ছিল ভিন্ন। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয় তারা।

এরপর টানা দুই কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হারের যন্ত্রণাও মেসিকে ভীষণভাবে ভেঙে দেয়। একপর্যায়ে তিনি জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নেন।

তখন মেসি বলেছিলেন, ‘আমি এখন চারটি ফাইনাল হেরেছি... জাতীয় দলের সঙ্গে আমার সময় শেষ। চারটি ফাইনাল। এটা আমার জন্য নয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমি চেষ্টা করেছি। এটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া। কিন্তু আমার জন্য সেটা হয়নি। তবে আমার মনে হয়, এবার এটাই শেষ।’

তবে একজন সত্যিকারের চ্যাম্পিয়নের মতোই পরে নিজের সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন মেসি। খুব দ্রুতই আবার জাতীয় দলে ফিরে আসেন।

সেই সময়টিই ছিল তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়। একের পর এক ফাইনালে হারের পর আর্জেন্টিনা কোনোভাবে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়। কিন্তু সেখানে দলটির পারফরম্যান্স ছিল খুবই হতাশাজনক।

২০১৯ সালে মেসি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম অনুপ্রেরণাদায়ী বক্তব্য দেন। ফক্স স্পোর্টসকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি হাল ছাড়বেন না।

মেসি বলেছিলেন, ‘আমি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে কিছু জিতে ক্যারিয়ার শেষ করতে চাই। আর যদি সেটা না-ও হয়, অন্তত আমি যেন বলতে পারি, আমি সবসময় চেষ্টা করে গেছি। যারা আমাকে অনুসরণ করে, বিশেষ করে শিশুদের জন্য এটাই আমার বার্তা। শুধু ফুটবলের জন্য নয়, জীবনের জন্যও। কারণ জীবন এমনই—হোঁচট খেতে হয়, আবার উঠে দাঁড়াতে হয় এবং আবার চেষ্টা করতে হয়। নিজের স্বপ্নের জন্য লড়াই করতে হয়।’

অবশেষে ২০২১ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত কোপা আমেরিকায় মেসির সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে। আন্তর্জাতিক অভিষেকের ১৬ বছর পর প্রথমবারের মতো আর্জেন্টিনার সিনিয়র দলের হয়ে বড় কোনো শিরোপা জেতেন তিনি।

এরপর যেন তাঁর কাঁধ থেকে বিশাল এক চাপ সরে যায়। কোনো বাড়তি বোঝা ছাড়াই নিজের প্রতিভা মেলে ধরার সুযোগ পান তিনি।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে মেসি জিতে নেন ফুটবলের সবচেয়ে বড় পুরস্কার—বিশ্বকাপ। সেই শিরোপা জয়ের পথ এতটা কঠিন ছিল যে, শেষ পর্যন্ত সাফল্যটি আরও বেশি মধুর হয়ে ওঠে।

মেসির লড়াই, বিনয় এবং দেশের প্রতি অটুট ভালোবাসায় আর্জেন্টিনার মানুষও নতুন করে তাঁর পাশে দাঁড়ায়।

৩৮ বছর বয়সে নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলেও মেসি আবারও দলের ভাগ্য বদলে দেন। ম্যারাডোনার সঙ্গে তাঁর তুলনায় যে বিষয়টি সবসময় আলোচনায় আসত, এবার সেটিও যেন পূর্ণতা পেল।

দারুণ পারফরম্যান্সে তিনি ইংল্যান্ডকে বিদায় করেন—যে দলটি আর্জেন্টিনার অন্যতম বড় প্রতিদ্বন্দ্বী।

তবে এবার তাঁর শরীর আগের মতো সঙ্গ দেয়নি। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে নিজের স্বাভাবিক দুরন্ত গতির পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি তিনি। ফলে তাঁর জন্য সেই নিখুঁত সমাপ্তি আর সম্ভব হয়নি।

তারপরও এই বিশ্বকাপের পর ফুটবলবিশ্বে ব্যাপক ঐকমত্য তৈরি হয়—মেসিই সর্বকালের সেরা ফুটবলার।

শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে মেসির অবসরও খুব বেশি বিস্ময়ের জন্ম দেয়নি। বাবার মৃত্যু তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। তাঁর আবেগঘন বিদায়ী বক্তব্যেও সেটির ছাপ স্পষ্ট ছিল।

মেসি লিখেছিলেন, ‘তোমাকে ছাড়া আমি কী করব, জানি না। কীভাবে এগিয়ে যাব, তাও জানি না। আমি শুধু ফুটবলই খেলেছি। আর এখন আমার সত্যিই সন্দেহ হচ্ছে, আমি আর কতদিন ফুটবল খেলব।’

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে তাঁর বয়স। ৩৯ বছর বয়সে সময়ের প্রভাব তাঁর শরীরেও পড়তে শুরু করেছে। তাই তাঁর বিদায় যতটা স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিতই হোক না কেন, সেটি কোনোভাবেই কম কষ্টের নয়।

জীবনে কিছু অভিজ্ঞতা একেবারেই অনন্য এবং আর কখনো ফিরে আসে না। ক্রীড়াপ্রেমীরা জানেন, মাইকেল জর্ডান, রজার ফেদেরার কিংবা অন্য কোনো সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়কে সরাসরি খেলতে দেখা কত বড় সৌভাগ্যের বিষয়।

এটি অনেকটা বিশাল আকাশের মধ্যে অন্য সব তারার চেয়ে উজ্জ্বল ও আলাদা রঙের একটি উল্কাকে ছুটে যেতে দেখার মতো। এমন দৃশ্য একবারই আসে, দ্বিতীয়বার আর ফিরে আসে না।

মেসির ফুটবল প্রতিভা এখনো এমএলএসে দেখা যাচ্ছে। তবে তিনি ইতোমধ্যেই একাধিকবার ইঙ্গিত দিয়েছেন, পেশাদার ফুটবলে তাঁর সময়ও শেষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

কোনো সন্দেহ নেই, একটি যুগের অবসান ঘটেছে। শুধু আর্জেন্টিনার মানুষের জন্য নয়, বিশ্বের সব ফুটবলপ্রেমীর জন্যই।

জাতীয় দলকে বিদায় জানিয়ে দেওয়া পোস্টের শেষ দিকে মেসি লিখেছেন, ‘আমাকে আর্জেন্টাইন বানানোর জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ।’

নিজের দেশকে ভালোবাসা আপনি কোথায় বসবাস করেন, তার ওপর নির্ভর করে না। বরং আপনি কোথা থেকে এসেছেন, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

আর মেসি আর্জেন্টাইন।

সংবাদসূত্রঃ সিএনএন