২৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৭

আলভারেজকে পেতে বার্সেলোনার সঙ্গে যোগ দিল ইউরোপের আরও এক জায়ান্ট ক্লাব

আলভারেজ   © সংগৃহীত

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের তারকা ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজকে দলে নেওয়ার লড়াই আরও জমে উঠেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর তার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, বার্সেলোনার পাশাপাশি এবার ইংলিশ জায়ান্ট আর্সেনালও এই বিশ্বকাপজয়ী তারকাকে দলে ভেড়ানোর দৌড়ে নেমেছে। নতুন মৌসুমের পরিকল্পনায় আলভারেজকে অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখছে গানার্সরা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমান প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রানার্সআপ আর্সেনাল আগামী মৌসুমে ২৬ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকারকে নিজেদের আক্রমণভাগের মূল অস্ত্র হিসেবে দেখতে চায়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস জানিয়েছে, আলভারেজকে দলে আনতে প্রায় ১ হাজার ৪৫০ কোটি টাকার প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে আর্সেনাল। শুধু অর্থের প্রস্তাবই নয়, এই চুক্তির অংশ হিসেবে সুইডিশ স্ট্রাইকার ভিক্টর গিয়োকেরেসকেও অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ছেড়ে দিতে রাজি রয়েছে ইংলিশ ক্লাবটি।

২০২৬ বিশ্বকাপ চলাকালেই নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুলেছিলেন আলভারেজ। তখনই তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ ছাড়ার ইচ্ছা রয়েছে তার।

ইএসপিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলভারেজ বলেছিলেন, 'আমি মনে করি, এখন এ বিষয়ে কথা বলার সঠিক সময় নয়। তবে আমি এটাও লুকিয়ে রাখতে পারি না। আমি সবসময় সৎ থাকতে চেষ্টা করি। ক্লাবের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে এবং যাদের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন ছিল, তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার মনে হয়, সবার জন্যই সবচেয়ে ভালো হবে একটি দলবদল। আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।'

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর আলভারেজকে তিন সপ্তাহের ছুটি দিয়েছে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। আগামী ১০ আগস্ট তার অনুশীলনে ফেরার কথা রয়েছে। তবে তার আগেই তিনি অন্য কোনো ক্লাবে যোগ দেবেন কি না, সেটি এখনও নিশ্চিত নয়। ফলে আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা অব্যাহত রয়েছে।

আলভারেজকে নিয়ে আগ্রহ অবশ্য নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই তাকে দলে নেওয়ার চেষ্টা করছে বার্সেলোনা। এবার সেই লড়াইয়ে আর্সেনালের যোগ দেওয়ায় দলবদলের বাজারে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

২০২৪ সালে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে আসছেন আলভারেজ। এখন পর্যন্ত স্প্যানিশ ক্লাবটির হয়ে ১০৬টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এই সময়ে করেছেন ৪৯টি গোল, পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ১৭টি গোল। তার এই পরিসংখ্যানই ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।