২২ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৯

প্লাস্টিক সার্জারির পর ভিনিসিয়ুসকে চিনতেই পারছেন না ভক্তরা

বান্ধবীর সঙ্গে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র  © সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিদায়ের পর নতুন এক লুকে ভক্তদের সামনে হাজির হয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা উইঙ্গার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। মুখাবয়বে স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজিত আসরে শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেয় ব্রাজিল। জাতীয় দলের দায়িত্ব শেষ করে দেশে ফেরার পরই নিজের নতুন চেহারার ছবি প্রকাশ করেন ভিনিসিয়ুস।

নিজের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে বান্ধবীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি পোস্ট করার পরই তার চেহারার পরিবর্তন সবার নজরে আসে। বিশেষ করে চিবুকের অংশ আগের তুলনায় অনেক বেশি সুগঠিত ও স্পষ্ট মনে হওয়ায় ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম টিএমসি জানিয়েছে, গোইয়ানিয়া শহরের একটি বিশেষায়িত ক্লিনিকে চিবুকের আকৃতি আরও সুস্পষ্ট করতে একটি কসমেটিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছেন ভিনিসিয়ুস।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই প্রক্রিয়া গোপন রাখতে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। চিকিৎসাকেন্দ্রের কর্মীদের ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ কিংবা ভিনিসিয়ুসের সফরসংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রকাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, যাতে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ না পায়।

তবে টিএমসি স্পষ্ট করেছে, ভিনিসিয়ুস কোনো অস্ত্রোপচার (সার্জারি) করাননি। আধুনিক কসমেটিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অস্ত্রোপচার ছাড়াই তার মুখের গঠন আরও ভারসাম্যপূর্ণ এবং চিবুকের অংশকে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ধরনের নন-সার্জিক্যাল কসমেটিক প্রক্রিয়ায় সাধারণত ফিলারসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মুখের আকৃতি স্বাভাবিকভাবে উন্নত করা হয়। অস্ত্রোপচার ছাড়াই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব হওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে ফুটবলারসহ বিভিন্ন ক্রীড়াবিদের মধ্যে এ ধরনের প্রসাধনমূলক চিকিৎসা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।