১৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৫

মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস এমবাপ্পের

লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে  © সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে গোলের দেখা পাননি কিলিয়ান এমবাপ্পে। এমনকি তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচের প্রথমার্ধেও নিষ্প্রভ ছিলেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে যেন বদলে গেল পুরো চিত্র। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে শুধু ম্যাচেই ফেরাননি, গড়েছেন বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন বিশ্বরেকর্ডও।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ৮ গোল নিয়ে লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে এবারের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন এমবাপ্পে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল করে আর্জেন্টাইন তারকাকে ছাড়িয়ে যান তিনি। একইসঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায়ও এককভাবে শীর্ষে উঠেছেন ফ্রান্স অধিনায়ক।

বিশ্বকাপে মেসির মোট গোলসংখ্যা ২১টি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোলের পর এমবাপ্পের গোলসংখ্যা এখন ২২। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় সবার ওপরে জায়গা করে নিলেন তিনি।

ম্যাচে প্রথমার্ধেই বড় ধাক্কা খায় ফ্রান্স। ইংল্যান্ডের চার গোলে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করে তারা। তবে বিরতির পরই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করে লে ব্লুজরা।

ম্যাচের ৪৮তম মিনিটে মাইকেল অলিসের দারুণ থ্রু-পাস থেকে বক্সের ভেতরে বল পান এমবাপ্পে। কোনো ভুল না করে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে ইংলিশ গোলরক্ষক জর্ডান হেন্ডারসনকে পরাস্ত করেন তিনি।

এই গোলের মধ্য দিয়ে চলতি বিশ্বকাপে নিজের নবম গোল পূর্ণ করেন এমবাপ্পে। এতে মেসিকে পেছনে ফেলে গোলদাতার তালিকায় এককভাবে শীর্ষে উঠেন।

এরপর ৬৬তম মিনিটে আসে আরও বড় মুহূর্ত। মাইকেল অলিসের সঙ্গে দুর্দান্ত ওয়ান-টু পাসের পর বক্সের কিনারা থেকে বাঁ পায়ের শক্তিশালী শটে বল জালে পাঠান এমবাপ্পে। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দশম এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসে মোট ২২তম গোল।

এই জোড়া গোলের সুবাদে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও সবার ওপরে উঠে গেছেন এমবাপ্পে। তার সবচেয়ে কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী মেসির গোলসংখ্যা ৮টি। তবে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের সামনে এখনো ফাইনাল বাকি রয়েছে, যেখানে স্পেনের বিপক্ষে গোল বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।