শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামের বিদায়, সেমিফাইনালে স্পেন
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই নিশ্চিত হয়ে গেল স্পেনের সেমিফাইনাল। কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে লা রোজারা।
লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমে ফাবিয়ান রুইজের গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। তবে চার্লস ডি কেতেলারের গোলে প্রথমার্ধেই সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।
ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছিল, ঠিক তখনই ৯০তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনো নায়ক হয়ে ওঠেন। গোলরক্ষকের ফিরিয়ে দেওয়া বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধানই ধরে রেখে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে স্প্যানিশরা। শেষ চারে তাদের প্রতিপক্ষ কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে পরিচিত ছন্দে খেলতে থাকে স্পেন। তবে রক্ষণে গুটিয়ে না থেকে সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে বেলজিয়াম। বিশেষ করে জেরেমি ডকু ও কেভিন ডি ব্রুইনার সমন্বয়ে স্পেনের ডান প্রান্তে কয়েকবার চাপ সৃষ্টি করে রেড ডেভিলস।
ম্যাচের প্রথম বড় সুযোগ আসে ২২তম মিনিটে। বক্সের বাইরে থেকে নিজের চেনা স্টাইলে বাঁ পায়ের কার্লিং শটে গোলের চেষ্টা করেন লামিন ইয়ামাল। কিন্তু তার শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়।
এরপর ৩০তম মিনিটে এগিয়ে যায় স্পেন। ডান প্রান্তে ইয়ামালের সঙ্গে দারুণ ওয়ান-টু খেলে নিচু ক্রস বাড়ান পেদ্রো পোরো। দানি ওলমোর প্রথম শট থিবো কোর্তোয়া ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে সবার আগে পৌঁছে জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন ফাবিয়ান রুইজ। পেদ্রির পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া এই মিডফিল্ডারই লা রোজাকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
গোলের পরও আক্রমণের ধার কমায়নি স্পেন। ৩৬তম মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে থেকে ইয়ামালের নেওয়া ফ্রি-কিক দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন কোর্তোয়া। ফিরতি বল থেকেও সুযোগ তৈরি হলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি স্প্যানিশরা।
ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে বেলজিয়াম। ৪১তম মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার নিখুঁত পাস থেকে ডান দিক দিয়ে এগিয়ে গিয়ে বক্সে চমৎকার ক্রস তোলেন টিমোথি কাস্তান। সেখানে পাও কুবার্সিকে পরাস্ত করে শক্তিশালী হেডে উনাই সিমনকে হার মানান চার্লস ডি কেতেলারে। তার গোলে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।
বিরতির পর ম্যাচে আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় দুই দলই। ৫৫তম মিনিটে জেরেমি ডকু ও কেভিন ডি ব্রুইনার দারুণ বোঝাপড়া থেকে বল পেয়ে ম্যাক্সিম ডি কুইপার জোরালো শট নেন। তবে তার প্রচেষ্টা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
এরপর ৬২তম মিনিটে লামিন ইয়ামালের দুর্দান্ত শট অসাধারণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন থিবো কোর্তোয়া। পাল্টা আক্রমণে রাফায়েল রাসকিনের ক্রস থেকে রোমেলু লুকাকুকে বল দেওয়ার সময় রদ্রির হাতে বল লাগার অভিযোগ তোলে বেলজিয়াম। তবে ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) হস্তক্ষেপ ছাড়াই খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন ম্যাচ অফিসিয়াল।
ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত আসে ৭১তম মিনিটে। উরুতে চোট পেয়ে মাঠে লুটিয়ে পড়েন বেলজিয়ামের অধিনায়ক ও গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। চিকিৎসার পরও খেলা চালিয়ে যেতে না পেরে চোখের জল নিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি। তার পরিবর্তে গোলবারের দায়িত্ব নেন সেনে লামেন্স।
শেষ ১৫ মিনিটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয় স্পেন। ৮১তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসকে মাঠে নামিয়ে আক্রমণে নতুন গতি আনেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। পাঁচ মিনিট পর দানি ওলমোর পরিবর্তে নামানো হয় মিকেল মেরিনোকে।
কোচের সেই সিদ্ধান্তই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ৮৮তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে পাও কুবার্সির নেওয়া শট লামেন্স ঠিকভাবে তালুবন্দি করতে পারেননি। ফিরতি বলে সবার আগে পৌঁছে জোরালো শটে জালে বল জড়িয়ে দেন মেরিনো। বদলি নেমে টানা দ্বিতীয় নকআউট ম্যাচে স্পেনের ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন এই মিডফিল্ডার।
শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। এই জয়ে ২০১০ সালে শিরোপা জয়ের পর বিশ্বকাপ ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল লা রোজা। আগামী মঙ্গলবার ডালাসে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা।
বিরতির পর ম্যাচে আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় দুই দলই। ৫৫তম মিনিটে জেরেমি ডকু ও কেভিন ডি ব্রুইনার দারুণ বোঝাপড়া থেকে বল পেয়ে ম্যাক্সিম ডি কুইপার জোরালো শট নেন। তবে তার প্রচেষ্টা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
এরপর ৬২তম মিনিটে লামিন ইয়ামালের দুর্দান্ত শট অসাধারণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন থিবো কোর্তোয়া। পাল্টা আক্রমণে রাফায়েল রাসকিনের ক্রস থেকে রোমেলু লুকাকুকে বল দেওয়ার সময় রদ্রির হাতে বল লাগার অভিযোগ তোলে বেলজিয়াম। তবে ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) হস্তক্ষেপ ছাড়াই খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন ম্যাচ অফিসিয়াল।
ম্যাচের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত আসে ৭১তম মিনিটে। উরুতে চোট পেয়ে মাঠে লুটিয়ে পড়েন বেলজিয়ামের অধিনায়ক ও গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। চিকিৎসার পরও খেলা চালিয়ে যেতে না পেরে চোখের জল নিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি। তার পরিবর্তে গোলবারের দায়িত্ব নেন সেনে লামেন্স।
শেষ ১৫ মিনিটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয় স্পেন। ৮১তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসকে মাঠে নামিয়ে আক্রমণে নতুন গতি আনেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। পাঁচ মিনিট পর দানি ওলমোর পরিবর্তে নামানো হয় মিকেল মেরিনোকে।
কোচের সেই সিদ্ধান্তই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ৮৮তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে পাও কুবার্সির নেওয়া শট লামেন্স ঠিকভাবে তালুবন্দি করতে পারেননি। ফিরতি বলে সবার আগে পৌঁছে জোরালো শটে জালে বল জড়িয়ে দেন মেরিনো। বদলি নেমে টানা দ্বিতীয় নকআউট ম্যাচে স্পেনের ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন এই মিডফিল্ডার।
শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। এই জয়ে ২০১০ সালে শিরোপা জয়ের পর বিশ্বকাপ ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল লা রোজা। আগামী মঙ্গলবার ডালাসে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা।