সমতায় বিরতিতে স্পেন–বেলিজয়াম
ম্যাচের আধা ঘণ্টা পেরোতেই এগিয়ে গিয়েছিল স্পেন। তবে সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি লা রোজারা। দ্রুতই সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। ফলে লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়।
শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে পরিচিত ছন্দে খেলতে থাকে স্পেন। তবে রক্ষণে গুটিয়ে না থেকে সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে বেলজিয়াম। বিশেষ করে জেরেমি ডকু ও কেভিন ডি ব্রুইনার সমন্বয়ে স্পেনের ডান প্রান্তে কয়েকবার চাপ সৃষ্টি করে রেড ডেভিলস।
ম্যাচের প্রথম বড় সুযোগ আসে ২২তম মিনিটে। বক্সের বাইরে থেকে নিজের চেনা স্টাইলে বাঁ পায়ের কার্লিং শটে গোলের চেষ্টা করেন লামিন ইয়ামাল। কিন্তু তার শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়।
এরপর ৩০তম মিনিটে এগিয়ে যায় স্পেন। ডান প্রান্তে ইয়ামালের সঙ্গে দারুণ ওয়ান-টু খেলে নিচু ক্রস বাড়ান পেদ্রো পোরো। দানি ওলমোর প্রথম শট থিবো কোর্তোয়া ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে সবার আগে পৌঁছে জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন ফাবিয়ান রুইজ। পেদ্রির পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পাওয়া এই মিডফিল্ডারই লা রোজাকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
গোলের পরও আক্রমণের ধার কমায়নি স্পেন। ৩৬তম মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে থেকে ইয়ামালের নেওয়া ফ্রি-কিক দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন কোর্তোয়া। ফিরতি বল থেকেও সুযোগ তৈরি হলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি স্প্যানিশরা।
ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে বেলজিয়াম। ৪১তম মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার নিখুঁত পাস থেকে ডান দিক দিয়ে এগিয়ে গিয়ে বক্সে চমৎকার ক্রস তোলেন টিমোথি কাস্তান। সেখানে পাও কুবার্সিকে পরাস্ত করে শক্তিশালী হেডে উনাই সিমনকে হার মানান চার্লস ডি কেতেলারে। তার গোলে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।
যোগ করা সময়ে দানি ওলমো ও মিকেল ওইয়ারসাবালের মাথায় সংঘর্ষের কারণে কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকলেও চিকিৎসা নিয়ে দুজনই মাঠে ফেরেন। এর আগে কেভিন ডি ব্রুইনাকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন স্পেনের তরুণ ডিফেন্ডার পাও কুবার্সি।
প্রথমার্ধে বলের দখল, পাস ও আক্রমণে স্পেন কিছুটা এগিয়ে থাকলেও সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমতায় ফিরেছে বেলজিয়াম। ফলে সেমিফাইনালের টিকিটের লড়াইয়ে দ্বিতীয়ার্ধে অপেক্ষা করছে আরও উত্তেজনাপূর্ণ ৪৫ মিনিট।