০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৫

গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে স্পেন–পর্তুগাল

স্পেন-পর্তুগাল ম্যাচ   © সংগৃহীত

স্পেন–পর্তুগালের শেষ ষোলোর ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলের লড়াই-ই সমানতালে চলেছে, তবে বিরতির আগে স্কোরলাইন রয়ে গেছে গোলশূন্য (০-০)।

প্রথম ৪৫ মিনিটে দুই দলই একাধিকবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিল, তবে তুলনামূলকভাবে বেশি বিপজ্জনক মুহূর্ত তৈরি করেছে স্পেনই। লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল কয়েকটি ভালো আক্রমণ গড়ে তুললেও শেষ মুহূর্তের ফিনিশিংয়ে ঘাটতি থাকায় এগিয়ে যেতে পারেনি তারা। সব মিলিয়ে প্রথমার্ধে দুই দলই সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে কোনো দলই এগিয়ে যেতে পারেনি।


ম্যাচের মাত্র তৃতীয় মিনিটেই বড় সুযোগ পায় স্পেন। মিডফিল্ডে বল কেটে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে ওঠেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। একাই বক্সে ঢুকে গোলমুখে শট নিলেও দারুণ প্রতিক্রিয়ায় বল ঠেকিয়ে পর্তুগালকে রক্ষা করেন ডিয়েগো কস্তা। এরপরই ডান প্রান্তে গতি দেখান লামিনে ইয়ামাল। তার নিখুঁত ক্রসে বক্সের মাঝখানে বল পৌঁছালেও কোনো স্প্যানিশ খেলোয়াড় না থাকায় সহজে বিপদমুক্ত হয় পর্তুগাল।

অষ্টম মিনিটে অবশ্য এগিয়েই যেতে পারত স্পেন। ওইয়ারসাবাল ডি-বক্সে ঢুকে পড়লেও তার নেওয়া শট সাইডবার ঘেঁষে বাইরে চলে যায়, ম্যাচের অন্যতম বড় মিস এটি।

এরপরই পাল্টা আক্রমণে আসে পর্তুগাল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো শক্তিশালী শট নিলেও কর্নারের বিনিময়ে তা ঠেকিয়ে দেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। কিছুক্ষণ পরেই দুই দফা সেভ করে স্পেনকে রক্ষা করেন তিনি।

১৬তম মিনিটে আবারও স্পেনের আক্রমণে কাঁপে পর্তুগাল। ইয়ামাল ডিফেন্ডার কাটিয়ে বাঁ পায়ের শট নিলেও এবারও দেয়াল হয়ে দাঁড়ান ডিয়েগো কস্তা। ফিরতি বলেও অ্যালেক্স বায়েনার শট আটকে দেন এই পর্তুগিজ গোলরক্ষক।

প্রথমার্ধের শেষদিকে ৪১তম মিনিটে প্রায় গোল পেয়ে যাচ্ছিল পর্তুগাল। কর্নার থেকে বল পেয়ে নুনো মেন্দেসের শট পেদ্রো পোরোর মাথায় লেগে দিক বদলে ক্রসবারে লাগে। সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় স্পেন।

সব মিলিয়ে প্রথমার্ধে দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি কেউই, ফলে বিরতিতে ম্যাচ রয়ে গেছে সম্পূর্ণ সমতায়।