০৪ জুলাই ২০২৬, ২৩:৫৮

গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে কানাডা–মরক্কো

কানাডা-মরক্কো ম্যাচ   © সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপের কানাডা-মরক্কোর মধ্যকার শেষ ষোলোর লড়াইয়ের প্রথমার্ধ গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়েছে। তবে স্কোরলাইনে গোল না থাকলেও ম্যাচে উত্তেজনার কোনো ঘাটতি ছিল না।

হিউস্টনে ম্যাচের শুরু থেকেই দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় কানাডা। প্রথম বাঁশি থেকেই মরক্কোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে একের পর এক আক্রমণ চালায় কানাডিয়ানরা। সেই চাপ থেকে প্রথমার্ধের পুরোটা সময়ই যেন বের হতে পারেনি মরক্কো। এলোমেলো আক্রমণের পাশাপাশি সৃজনশীলতারও স্পষ্ট অভাব দেখা গেছে অ্যাটলাস লায়ন্সদের।

পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল কানাডা। লুক দে ফুজেরোলেসের হেড থেকে বল পেয়ে একাই মরক্কোর রক্ষণ ভেঙে এগিয়ে যান জনাথন ডেভিড। গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুকে কাটিয়েও বাঁ পায়ের শট নেন তিনি। তবে অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় বাম হাত বাড়িয়ে নিশ্চিত গোল রুখে দেন বুনু।

১১তম মিনিটে আবারও গোলের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করে কানাডা। মাঝমাঠে বল কেড়ে নিয়ে আলি আহমেদ তা বাড়িয়ে দেন তানি ওলুওয়াসেয়ির কাছে। হালহালকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শট নিলেও এবারও বাম পা বাড়িয়ে দুর্দান্ত সেভ করেন বুনু। তার অসাধারণ গোলরক্ষণে দ্বিতীয়বারের মতো নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় কানাডা।

অন্যদিকে ১৫তম মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য আক্রমণে মরক্কো। তবে সেই আক্রমণ থেকে কানাডার রক্ষণে বড় কোনো হুমকি তৈরি করতে পারেনি আফ্রিকার দলটি। এক মিনিট পর ইসমাইল সাইবারি বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। পরে চোটে পড়ে ২২তম মিনিটেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন সাইবারি।

প্রথমার্ধের শেষদিকে ম্যাচে উত্তেজনা আরও বাড়ে। ৩৯তম মিনিটে আশরাফ হাকিমি ও রিচি লারিয়ার মধ্যে বাকবিতণ্ডা হলে দুই দলের খেলোয়াড়রা মুখোমুখি অবস্থানে চলে যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে রেফারি মাইকেল অলিভার হাকিমি ও লারিয়াকে হলুদ কার্ড দেখান। এরপর জনাথন ডেভিড, আজেদিন ওউনাহি এবং এল খান্নুসও হলুদ কার্ড দেখেন। পরে যোগ করা ছয় মিনিটেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। ফলে গোলশূন্য সমতায় প্রথমার্ধ শেষ হয়।