০২ জুলাই ২০২৬, ০০:০৪

কেইনের জোড়া ম্যাজিকে শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ড

ইংল্যান্ড দল   © সংগৃহীত

হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে ডিআর কঙ্গোকে ২–১ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এক গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর দারুণ প্রত্যাবর্তনে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় থ্রি লায়নসরা, আর সেই জয়ের নায়ক হয়ে থাকলেন অধিনায়ক কেইন।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয় তুলে নিল ইংল্যান্ড। আগে এমন পরিস্থিতিতে ৯ ম্যাচে ৭টি হেরেছিল তারা। আর ড্র করেছিল দুটি। এবার সেই নেতিবাচক পরিসংখ্যান ভেঙে নতুন ইতিহাস লিখল থ্রি লায়নসরা, আর সেই জয়ের নায়ক হ্যারি কেইন।

আটলান্টায় শুরুটা ছিল ডিআর কঙ্গোর দখলে। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই মাঝমাঠ থেকে শঁসেল এমবেম্বার লম্বা ক্রস পেয়ে বক্সের বাঁ পাশে ফাঁকায় চলে যান ব্রায়ান সিপেঙ্গা। কিছুটা এগিয়ে এসে নিচু শটে কাছের পোস্ট লক্ষ্য করে বল জালে পাঠান তিনি। জর্ডান পিকফোর্ডের হাতের নিচ দিয়ে বল চলে গেলে নকআউটে প্রথমবারের মতো খেলতে নেমেই এগিয়ে যায় ডিআর কঙ্গো।

গোল হজমের পর সমতায় ফেরার জন্য চাপ বাড়ায় ইংল্যান্ড। ৩৫তম মিনিটে হ্যারি কেইনের শট রুখে দেন আলেক্সান্ডার তুয়ানজেবে। ফিরতি বল থেকে মার্কাস র‍্যাশফোর্ডের শট গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন অ্যারন ওয়ান-বিসাকা। কিছুক্ষণ পর আবারও উইসার ট্যাপ-ইন পোস্টে লেগে বাইরে চলে গেলে বাঁচে ইংল্যান্ড।

বিরতির ঠিক আগে কেইনের ভলি গোললাইন থেকে অবিশ্বাস্যভাবে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি। এমনকি পেনাল্টির আবেদন করেও সাড়া পায়নি ইংল্যান্ড, ভিএআরও তা বাতিল করে দেয়।

দ্বিতীয়ার্ধেও একের পর এক আক্রমণ চালায় ইংল্যান্ড, কিন্তু বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ান এমপাসি। অন্তত পাঁচটি নিশ্চিত সুযোগ রুখে দিয়ে ডিআর কঙ্গোকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন তিনি।

অবশেষে ৭৫তম মিনিটে সমতা ফেরায় ইংল্যান্ড। অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রসে দারুণ হেডে গোল করেন হ্যারি কেইন। এরপর মাত্র ১১ মিনিট পর, ৮৬তম মিনিটে আবারও গর্ডনের পাস থেকে বক্সে ঢুকে জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

এই জোড়া গোলেই ২–১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। একইসঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজের গোলসংখ্যা ১৩-এ উন্নীত করে ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যান কেইন। চলতি আসরে এটি তার পঞ্চম গোল।