এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে বিরতিতে ফ্রান্স
গোলের জন্য যেন অপেক্ষার প্রহরই দীর্ঘ হচ্ছিল ফ্রান্সের। ম্যাচজুড়ে একের পর এক আক্রমণ, দুটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসা এবং বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পর অবশেষে প্রথমার্ধের ৪৫তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে যায় দিদিয়ের দেশমের দল। শেষমেশ ১-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে গেছে ফ্রান্স।
শুরু থেকেই সুইডেনের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে একের পর এক আক্রমণ চালায় লে ব্লু। ম্যাচের ২০তম মিনিটে এমবাপ্পের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়, পরে ৩২তম মিনিটে তার আরেকটি শটও পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
শেষমেশ এমবাপ্পেই দলের ত্রাতা হয়ে আবারও হাজির হন। রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড দুর্দান্ত দক্ষতায় জাল খুঁজে নিয়ে ফ্রান্সকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এতে চলতি বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে লিওনেল মেসির সঙ্গে ব্যবধান কমানোর পথেও আরেক ধাপ এগিয়ে গেলেন ফরাসি অধিনায়ক। চলতি বিশ্বকাপে এটি এমবাপ্পের পঞ্চম গোল। আর সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে এটি তার ১৭তম গোল।
তবে প্রথমার্ধে ফ্রান্সের সবচেয়ে চোখধাঁধানো মুহূর্তগুলোর একটি আসে মাইকেল অলিসের ওভারহেড কিকে। ৩৬তম মিনিটে দুর্দান্ত সেই প্রচেষ্টা পোস্টে লেগে ফিরে আসে। গোল হলে সেটি নিঃসন্দেহে টুর্নামেন্টের সেরা গোলের দাবিদার হতে পারত।
পরিসংখ্যানেও ছিল ফরাসিদের একচ্ছত্র আধিপত্য। প্রথমার্ধে ৭১ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখে মোট ১৫টি শট নিয়েছে ফ্রান্স, এর মধ্যে ৬টি ছিল লক্ষ্যে। তবে এত সুযোগের পরও গোল এসেছে মাত্র একটি। অন্যদিকে কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তুললেও ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মেনিয়াঁকে তেমন কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি সুইডেন। শেষমেশ এমবাপ্পের একমাত্র গোলেই এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ফ্রান্স।