৩০ জুন ২০২৬, ০১:৩৭

ম্যাচের সেরা মুহূর্ত: ভিনিসিয়ুসের সেই জাদুকরী দৌড় আর সুজুকির অতিমানবীয় সেভ

জাপানের গোলকিপার সুজুকি   © সংগৃহীত

ম্যাচের সিংহভাগ সময়জুড়ে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পারফরম্যান্স কিছুটা ম্লান মনে হচ্ছিল। তবে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে তাঁর জন্য প্রয়োজন ছিল কেবল এক সেকেন্ডের এক ঝলক। আর যখন সেই মুহূর্তটি এলো, হিউস্টনের গ্যালারি দেখল বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সেরা এক ফুটবলীয় দ্বৈরথ!

​মাঝমাঠ থেকে আসা বলটিকে এক নিখুঁত ও অবিশ্বাস্য ‘ফার্স্ট টাচ’-এ নিয়ন্ত্রণে নেন ভিনিসিয়ুস। এরপর চোখের পলকে জাপানের দুই ডিফেন্ডারকে ড্রিবলিংয়ের মায়াজালে পেছনে ফেলে বক্সে ঢুকে পড়েন এই সেলেসাও উইঙ্গার। বডি ড্রপ আর গতির ঝড় তুলে ডান পায়ের আলতো টোকায় (পোকে) বলটি যখন তিনি দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে পাঠালেন, গ্যালারির সবাই তখন নিশ্চিত গোলের অপেক্ষায়। শটটি এতটাই নিখুঁত ছিল যে, এটি জাল ছুঁলে অনায়াসেই টুর্নামেন্টের সেরা গোলের তালিকায় জায়গা করে নিত।

​কিন্তু নাটকের তখনও বাকি ছিল! ব্রাজিলের সেই জাদুকরী আক্রমণকে টেক্কা দিতে জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকিও উপহার দিলেন এক অতিমানবীয় সেভ। বাতাসে শরীর ভাসিয়ে আঙুলের ডগা দিয়ে বলের গতিপথ বদলে দেন তিনি, যা পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ভিনিসিয়ুসের সেই শট যতটা স্পেশাল ছিল, সুজুকির এই সেভও ছিল ঠিক ততটাই অবিশ্বাস্য।

​পুরো ম্যাচজুড়ে ব্রাজিল যখন চেনা ছন্দের অভাবে ভুগছিল, তখন ভিনিসিয়ুসের এই একক প্রচেষ্টা যেন মনে করিয়ে দিল—ব্রাজিলিয়ানরা তাঁদের সেরা দিনে কী করতে পারে! আর এই জাদুকরী মুহূর্তের ওপর ভর করেই ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির পা থেকে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত জয়সূচক গোল।