২৯ জুন ২০২৬, ২১:১৯

বুলবুলের আইসিসিতে চিঠি প্রসঙ্গে মুখ খুললেন ফারুক আহমেদ

ফারুক আহমেদ   © সংগৃহীত

ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির দায়িত্ব পান ফারুক আহমেদ। তবে নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সেই পদ হারান তিনি। পরে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ডে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু বিভিন্ন বিতর্ক ও অভিযোগের প্রেক্ষাপটে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে দেওয়া হয় পুরো বোর্ড। পরবর্তীতে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে অ্যাডহক কমিটি এবং পরে নির্বাচিত বোর্ড গঠিত হলেও সেখানে আর দেখা যায়নি ফারুক আহমেদকে।

এরই মধ্যে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই দায়িত্ব হারানো বিসিবির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে অভিযোগ জানিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠি এবং এর প্রেক্ষাপট নিয়ে সোমবার (২৯ জুন) গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার ব্যাপারে কিছুই জানি না। জানি না, মানে একদমই জানি না। পুরোটা পড়ে দেখারও সময় ছিল না, ব্যস্ত ছিলাম। এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না, আপনাদের পরিষ্কার করার জন্য বলে দিচ্ছি।’

ফারুক আহমেদ বলেন, ‘বেশিরভাগ সময় দেখা গেছে কোনো ঘটনা ঘটলে আমি এসে যাই। আমি এটার অংশ আছি কি না… একটা স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে জড়িয়ে ফেলে। এজন্যই চিন্তা করেছি এটা সবার পরিষ্কার হওয়া দরকার। আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।’

ফারুক বলেন, ‘আমিও তো বোর্ড সভাপতি ছিলাম। আমাকে সরানোর প্রক্রিয়াও ঠিক ছিল না। তখন কিন্তু আমি আইসিসিকে অভিযোগ করিনি। একটা চিঠিও দেইনি। সে জায়গা থেকে মোটামুটি নিশ্চিত থাকতে পারেন, এখানে আমার হাত নেই, আমি জানি না।’

আইসিসির কাছে বুলবুলের চিঠি পাঠানোর বিষয়টি সত্যি কি না প্রসঙ্গে ফারুক জানান, ‘চিঠিটা আমি তো দেখেছি গত পরশু। লাইন বাই লাইন। চিঠিটা আমার কাছে এসেছে, পয়েন্ট বাই পয়েন্ট। আমি পড়িনি, তবে আইসিসিতে গেছে কি না বলতে পারব না, যেহেতু আইসিসির সাথে আমার কানেকশন নেই এখন।’

ফারুক আরও বলেন, ‘আমিনুল ইসলাম বুলবুল হয়তো একটা বিবৃতি দিয়েছেন। উনি ব্যাপারটা ক্লিয়ার করতে পারবেন। আইসিসির কাছে চিঠি গেছে কিনা, এ ব্যাপারে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।’

বুলবুলের বোর্ডে শেষ পর্যন্ত যারা ছিলেন, তারা এই চিঠিতে সমর্থন জানিয়েছেন—এমন প্রসঙ্গে ফারুক বলেন, ‘বলেছি তো রিটের (হাইকোর্টের) স্বাক্ষর আছে। তবে আইসিসির এটাতে আমাদের কোনো স্বাক্ষর নেই। মানে আমার নেই। এই চিঠিতে আলাদা কোনো সই করিনি। কেউ যদি বের করে দিতে পারে…তাকে চ্যালেঞ্জ করছি।’