২৬ জুন ২০২৬, ০৮:৩৬

বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত যে ৮ দলের

বিশ্বকাপ ট্রফি   © টিডিসি ফটো

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপে ইতোমধ্যেই আটটি দলের নকআউট পর্বে ওঠার সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে। এবারের আসরে গ্রুপের সেরা দুই দলের পাশাপাশি সেরা আটটি তৃতীয় স্থানধারী দলও শেষ ৩২-এ খেলার সুযোগ পেলেও হাইতি, তুরস্ক, তিউনিসিয়া, জর্ডান, পানামা, কাতার, চেক প্রজাতন্ত্র ও কুরাসাও সেই সুযোগ থেকেও ছিটকে গেছে।

দুই ম্যাচ খেলেই বিদায় পাঁচ দলের

হাইতি, তুরস্ক, তিউনিসিয়া, জর্ডান ও পানামা মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেই নকআউটে ওঠার সম্ভাবনা হারিয়েছে। এর প্রধান কারণ, ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে ফিফা নতুন টাইব্রেকার পদ্ধতি চালু করেছে।

আগের বিশ্বকাপগুলোর তুলনায় এবার ফিফা ‘অলিম্পিক টাইব্রেকার’ পদ্ধতি ব্যবহার করছে। ফলে সমান পয়েন্ট হলে প্রথমে বিবেচনা করা হচ্ছে সমান পয়েন্ট পাওয়া দলগুলোর মধ্যকার মুখোমুখি ম্যাচের ফল।

হাইতি, তুরস্ক, তিউনিসিয়া, জর্ডান ও পানামার সামনে শেষ ম্যাচ জিতে তিন পয়েন্ট পাওয়া দলের সমান পয়েন্টে পৌঁছানোর সুযোগ ছিল। কিন্তু তারা যে দলের সঙ্গে পয়েন্টে সমতা আনতে পারত, সেই দলের বিপক্ষেই হেরে গেছে। ফলে নতুন টাইব্রেকার নিয়ম অনুযায়ী তারা আর চতুর্থ স্থান থেকে ওপরে উঠতে পারবে না। একই কারণে তাদের নকআউটে ওঠার সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে।

একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয়েছে কুরাসাওও। দলটি আগের দুই ম্যাচে এক পয়েন্ট সংগ্রহ করেছিল। কিন্তু গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আর কোনো পয়েন্ট যোগ করতে না পারায় তারাও বিদায় নিশ্চিত করেছে।

শেষ ম্যাচের আগেই বিদায় কাতার ও চেক প্রজাতন্ত্র

গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ড শুরুর আগেই কাতার ও চেক প্রজাতন্ত্রও নকআউটে ওঠার সব সম্ভাবনা হারায়। ফলে এই দুই দলও বিদায় নিশ্চিত হওয়া দলের তালিকায় যোগ হয়েছে।

২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়া দলগুলো
চেক প্রজাতন্ত্র (গ্রুপ এ)
কাতার (গ্রুপ বি)
হাইতি (গ্রুপ সি)
তুরস্ক (গ্রুপ ডি)
তিউনিসিয়া (গ্রুপ এফ)
জর্ডান (গ্রুপ জে)
পানামা (গ্রুপ এল)
কুরাসাও (গ্রুপ ই)
২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে টাইব্রেকারের নিয়ম

গ্রুপ পর্বে একাধিক দল সমান পয়েন্ট পেলে নিচের ক্রমানুসারে অবস্থান নির্ধারণ করা হবে—

১. সমান পয়েন্ট পাওয়া দলগুলোর মুখোমুখি ম্যাচে অর্জিত পয়েন্ট।
২. সমান পয়েন্ট পাওয়া দলগুলোর মুখোমুখি ম্যাচে গোল ব্যবধান।
৩. সমান পয়েন্ট পাওয়া দলগুলোর মুখোমুখি ম্যাচে করা গোলের সংখ্যা।
৪. পুরো গ্রুপ পর্বে মোট গোল ব্যবধান।
৫. পুরো গ্রুপ পর্বে মোট গোলের সংখ্যা।
৬. সবচেয়ে কম লাল কার্ড পাওয়া দল।
৭. সবচেয়ে কম হলুদ কার্ড পাওয়া দল।
৮. এরপরও সমতা থাকলে লটারির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।