২৫ জুন ২০২৬, ০৬:১০

বিশ্বকাপ ইতিহাসে অন্যরকম ‘হাফ-সেঞ্চুরি’ ব্রাজিলের

ব্রাজিল দল   © সংগৃহীত

যা ছিল এক মহাকাব্যিক সুযোগ, মাঠের লড়াইয়ে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে ধসিয়ে দিয়ে তা-ই বাস্তবে রূপ দিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। স্কটিশদের আক্রমণভাগকে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় রেখে নিজেদের জাল অক্ষত রাখার মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে অনন্য এক মাইলফলক স্পর্শ করল সেলেসাওরা। বিশ্বমঞ্চে এটি ব্রাজিলের ঐতিহাসিক ৫০তম ‘ক্লিন শিট’ বা গোল না খাওয়ার রেকর্ড।

রক্ষণভাগের এই অবিশ্বাস্য ও নিখুঁত ধারাবাহিকতায় সাম্বা ফুটবলাররা ফুটবল বিশ্বের বাকি পরাশক্তিদের চেয়ে এখন যোজন যোজন দূরে এগিয়ে গেল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিলের পর সবচেয়ে বেশি ক্লিন শিটের রেকর্ডে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জার্মানি, যাদের ঝুলিতে রয়েছে ৪১টি ম্যাচ। অর্থাৎ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে পুরো ৯টি ক্লিন শিট এগিয়ে থেকে নিজেদের রক্ষণদুর্গের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল ব্রাজিল।

তালিকায় জার্মানির পরেই অবস্থান করছে ইংল্যান্ড (৩৭টি ক্লিন শিট) এবং চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি (৩২টি ক্লিন শিট)। এই এলিট তালিকার পঞ্চম স্থানেই রয়েছে ব্রাজিলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা। বিশ্বমঞ্চে এখন পর্যন্ত ৩১টি ম্যাচে নিজেদের জাল অক্ষত রেখেছে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা, যা তাদের ইতালির ঠিক পেছনেই জায়গা করে দিয়েছে।

শীর্ষ দলগুলোর এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় আক্রমণাত্মক ও শৈল্পিক ‘জোগা বোনিতো’র পাশাপাশি ডিফেন্সে ব্রাজিল কতটা দুর্ভেদ্য। কার্লো অ্যানচেলত্তির শিষ্যরা আজ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে ক্লিন শিটের এই মহাকাব্যিক ‘হাফ সেঞ্চুরি’ পূর্ণ করে ইতিহাসকে নতুন করে রাঙাল। রেকর্ড ১৪ বার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ যাওয়ার রাতে এই ৫০তম ক্লিন শিট ব্রাজিলের হেক্সা মিশনকে দিল এক রাজকীয় আবহ।