ইংল্যান্ডের ‘গোলশূন্য’ ড্রয়ের সেই পুরোনো ভূত
ঘানার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর থমাস টুখেলের দলের পারফরম্যান্স নিয়ে চারদিকে যখন সমালোচনার ঝড়, তখন পরিসংখ্যান বলছে অন্য কথা—বড় টুর্নামেন্টগুলোর গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে এসে খেই হারিয়ে ফেলা যেন ইংল্যান্ডের পুরোনো এক মরণব্যাধি! আজকের এই ড্রয়ের মাধ্যমে টানা চারটি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের (বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে) গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচেই পয়েন্ট হারানোর এক অদ্ভুত ও হতাশাজনক রেকর্ড গড়ল থ্রি লায়ান্সরা, যার মধ্যে তিনটি ম্যাচই শেষ হয়েছে একঘেয়ে ‘০-০’ ব্যবধানে।
এই ধারাবাহিকতার শুরু হয়েছিল ইউরো ২০২০ আসরে, যেখানে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড। এরপর ২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গতিশীল ফুটবলের সামনে থমকে গিয়ে ০-০ ড্রয়ের মাধ্যমে।
বিগত ইউরো ২০২৪ আসরে ডেনমার্কের বিপক্ষে শুরুতে লিড নিয়েও শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল সাউথগেটের দলকে। আর আজ ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে থমাস টুখেলের অধীনেও সেই একই ভূত চেপে বসল ইংলিশদের ঘাড়ে, যেখানে ঘানার ‘লো ব্লক’ ডিফেন্সের সামনে সেই চেনা ০-০ ড্রয়ের বৃত্তেই আটকে রইল তারা।
২০২০ থেকে ২০২৬—কোচ বদলেছে, বদলেছে দলের আক্রমণভাগের রণকৌশল এবং স্কোয়াডের চেহারা; কিন্তু টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে এসে ইংলিশ ফুটবলের এই ছন্দহীনতা ও মন্থর পাসিংয়ের চেনা রূপটি মোটেও বদলায়নি। নক-আউটের মহাবিপদে পড়ার আগেই ইংল্যান্ডকে এই অদ্ভুত গোলখরা ও মনস্তাত্ত্বিক জুজু কাটাতে হবে।