২১ জুন ২০২৬, ২২:৫৪

হাফটাইমেই কি মাঠ ছাড়ছেন ইয়ামাল?

ইয়ামাল   © সংগৃহীত

ম্যাচের প্রথমার্ধের খেলা শেষের দিকে, স্কোরলাইন এখনো স্পেনের পক্ষে ৩-০। তবে মাঠের ফুটবলের পাশাপাশি ডাগআউটের এক দৃশ্য এখন নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ৪২তম মিনিটে স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে সাইডলাইনে ইয়েরেমি পিনো এবং ফেরান তোরেসকে ওয়ার্ম-আপ বা গা গরম করার জন্য পাঠান। ফুটবল বিশ্লেষকদের ধারণা, পূর্ণ ফিটনেস না থাকায় হয়তো প্রথমার্ধের বিরতিতেই মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হতে পারে বিস্ময় বালক লামিন ইয়ামালকে।

ম্যাচের ১০ মিনিটে গোল করার পর থেকে পুরোটা সময় জুড়েই সৌদি ডিফেন্সের জন্য এক আতঙ্কের নাম হয়ে আছেন ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল। যদিও মাঝে মিকেল ওয়ারজাবালের জোড়া গোলের কারণে পাদপ্রদীপের আলো কিছুটা সরে গিয়েছিল, তবে মাঠে ইয়ামালের ড্রিবলিং আর ক্ষিপ্রতা সৌদি ডিফেন্ডারদের প্রতিনিয়ত বোকা বানাচ্ছে। মাঠের সাধারণ দর্শক ও ফুটবলপ্রেমীরা তাঁকে আরও দীর্ঘ সময় মাঠে দেখতে চাইলেও, ৩-০ গোলের নিরাপদ ব্যবধান থাকায় কোচ দে লা ফুয়েন্তে হয়তো তাঁর এই মূল্যবান রত্নকে বাড়তি ধকল ও চোটের ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে প্রথমার্ধের পর বিশ্রামে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

অন্যদিকে, প্রথমার্ধের বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের পারফরম্যান্সের গ্রাফ চরম হতাশাঙ্কুর। প্রথমার্ধে স্পেনের গোলপোস্ট লক্ষ্য করে তারা একটিও কার্যকর শট নিতে পারেনি। তাদের একমাত্র শটটি এসেছিল ডিফেন্ডার আল-আমরির পা থেকে, তাও নিজেদের হাফের ১৫ গজ ভেতর থেকে নেওয়া এক মরিয়া চেষ্টা! হাইড্রেশন ব্রেকের পর সৌদি আরব কিছুটা গুছিয়ে ওঠার চেষ্টা করলেও তা স্পেনের আক্রমণের সামনে ছিল বড্ড নড়বড়ে। বিরতির টক-শোতে সৌদি কোচ দোনিস যে ড্রেসিংরুমে নিজের খেলোয়াড়দের ওপর ক্ষোভ ঝাড়তে যাচ্ছেন, তা বলাই বাহুল্য।