১৯ জুন ২০২৬, ০৮:০৭

বদলি নেমেই সুইজারল্যান্ডের জয়ের নায়ক মানজাবি

ইয়োহান মানজাবি   © টিডিসি ছবি

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে গোলশূন্য অচলাবস্থার মধ্যে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে দুর্দান্ত এক জয় এনে দিয়েছেন ইয়োহান মানজাবি। দলের চরম প্রয়োজনের মুহূর্তে জোড়া গোল করে তিনি শুধু সুইজারল্যান্ডকে ৪-১ ব্যবধানের বড় জয়ই উপহার দেননি, একই সাথে নাম লিখিয়েছেন বিশ্বকাপের রেকর্ড বইয়েও। ম্যাচের শেষ দিকে তাঁর এই চোখধাঁধানো পারফরম্যান্সের সুবাদে সুইজারল্যান্ড পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে এবং মানজাবি জিতে নেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।

লস অ্যাঞ্জেলসে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের ৭১তম মিনিট পর্যন্ত কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচের এমন গোলশূন্য পরিস্থিতিতে সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন আরও দুজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে মানজাবিকে মাঠে নামান। কোচের সেই সিদ্ধান্তের প্রতিদান দিতে একদমই সময় নেননি এই তরুণ মিডফিল্ডার। মাঠে নামার মাত্র দুই মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের মাথায় একটি চমৎকার সাইড ভলিতে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন তিনি।

এখানেই শেষ নয়, ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে (৯০ মিনিটে) আবারও দুর্দান্ত এক গোল করে স্কোরশিটে নিজের নাম লেখান সুইজারল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সবচেয়ে কম বয়সী এই খেলোয়াড়। এই জোড়া গোলের সুবাদে বিশ্বকাপের সুদীর্ঘ ইতিহাসে এক অনন্য কীর্তি গড়েন তিনি। মাত্র ২০ বছর ২৪৭ দিন বয়সে কোনো ম্যাচে বদলি নেমে জোড়া গোল করা ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় এখন মানজাবি। একই সাথে বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের ফুটবল ইতিহাসে তিনি তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম খোদাই করে নিয়েছেন।

জার্মান ক্লাব ফ্রেইবুর্কের এই প্রতিভাবান মিডফিল্ডার মানজাবির জন্ম জেনেভায়। তবে তাঁর বাবা-মা যথাক্রমে অ্যাঙ্গোলা ও কঙ্গোর নাগরিক। ২০২৫ সালে সুইজারল্যান্ডের জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হওয়া এই তরুণ ফুটবলার এখন পর্যন্ত দেশের হয়ে ১৪টি ম্যাচ খেলে ৫টি গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।