প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ক্রোয়েশিয়ার সমতা
রোমাঞ্চে ভরা প্রথমার্ধের শেষ স্পর্শটি দিল ক্রোয়েশিয়া। দলের অভিজ্ঞ উইঙ্গার ইভান পেরিশিচের তৈরি করা সুযোগ থেকে গোল করে ম্যাচে ২–২ সমতা ফেরান পেতার মুসা।
ডান দিক থেকে আসা একটি ক্রসে নিঃশব্দে বক্সে ঢুকে পড়েন পেরিশিচ। তিনি হেড করে বল বাড়িয়ে দেন পেছনের পোস্টে থাকা মুসার দিকে। সুযোগ বুঝে প্রথম ছোঁয়াতেই জোরালো শটে বল জালে পাঠান ক্রোয়েশিয়ার এই ফরোয়ার্ড।
ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড বলটি ঠেকানোর চেষ্টা করলেও সেটি তার দুই পায়ের ফাঁক গলে জালে ঢুকে যায়।
গোলের মুহূর্তে পেরিশিচ অফসাইডে ছিলেন কি না, তা নিয়ে কিছুটা আলোচনা দেখা গেলেও ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) কোনো পর্যালোচনা হয়নি। ফলে গোলটি বৈধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
এই গোলের মাধ্যমে দুর্দান্ত এক প্রথমার্ধের ইতি টানে ক্রোয়েশিয়া। একাধিক গোল, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ এবং নাটকীয় মুহূর্তে ভরপুর প্রথম ৪৫ মিনিট।
এর আগে, ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন, তবে সেই পেনাল্টিটি ছিল নাটকীয়। প্রথম প্রচেষ্টা ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক ডমিনিক লিভাকোভিচ সেভ করলেও তিনি লাইনের বাইরে থাকায় রেফারি শট পুনরায় নেওয়ার নির্দেশ দেন। দ্বিতীয় সুযোগে ঠান্ডা মাথায় গোল করেন কেইন।
এরপর ক্রোয়েশিয়া দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া বাতুরিনার শক্তিশালী শট সোজা জালে জড়িয়ে যায়, কোনো সুযোগই পাননি ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে আবারও এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ডেকলান রাইসের নিখুঁত কর্নার থেকে হেডে গোল করেন হ্যারি কেইন, এর মধ্য দিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল পূর্ণ করেন তিনি।