১৫ জুন ২০২৬, ০৯:১৪

তিউনিসিয়ার বিপক্ষে দাপুটে শুরু সুইডেনের

গোলের পর সুইডেনের উদযাপন   © সংগৃহীত

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তিউনিসিয়ার মুখোমুখি হয়েছে সুইডেন। মেক্সিকোর মন্টেরি স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধ শেষে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সুইডিশরা।

এর আগে এই গ্রুপের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল নেদারল্যান্ডস ও জাপান। সেই ম্যাচটি ২-২ গোলে নাটকীয় ড্র হওয়ায় আজ দুই দলের সামনেই ছিল পূর্ণ ৩ পয়েন্ট তুলে নিয়ে টেবিলের শীর্ষে যাওয়ার সুযোগ।

ম্যাচের শুরু থেকেই তিউনিসিয়ার রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে খেলতে থাকে সুইডেন। যার ফল তারা পেয়ে যায় ম্যাচের মাত্র ৭ মিনিটেই। বক্সের বাইরে থেকে ২২ বছর বয়সী তরুন মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারির এক অসাধারণ ও দুর্দান্ত শটে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় সুইডেন। গোল খেয়ে তিউনিসিয়া ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও ম্যাচের ৩০তম মিনিটে আবারও তাদের স্তব্ধ করে দেন সুইডিশ তারকা ফরোয়ার্ড আলেকসান্দার ইসাক। তার দারুণ ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ২-০ তে লিড নেয় সুইডেন।

তবে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি আফ্রিকান প্রতিনিধি তিউনিসিয়া। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে, ম্যাচের ৪৩তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে ব্যবধান কমায় তারা। হানিবাল মেজব্রির বাড়ানো নিখুঁত ক্রস থেকে চমৎকার হেডে সুইডেনের জালে বল জড়ান ওমর রেকিক। ফলে ২-১ ব্যবধানের উত্তেজনা নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে দুই দল।

প্রথমার্ধের মাঠের পরিসংখ্যানেও সুইডেনের স্পষ্ট আধিপত্য দেখা গেছে। পুরো প্রথমার্ধে ৫৪ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল সুইডিশরা, যেখানে তিউনিসিয়ার পায়ে বল ছিল ৪৬ শতাংশ সময়। সুইডেন তিউনিসিয়ার গোলপোস্ট লক্ষ্য করে মোট ৫টি শট নেয়, যার মধ্যে ৩টিই ছিল অন-টার্গেট বা গোলমুখে। অন্যদিকে তিউনিসিয়া ৩টি শটের মধ্যে কেবল ১টি শট গোলমুখে রাখতে পেরেছে এবং তা থেকেই গোল আদায় করে নিয়েছে।

পাসের গতি ও নিখুঁততার দিক থেকেও এগিয়ে ছিল ইউরোপের দলটি। প্রথমার্ধে সুইডেন ১৯৫টি পাস দিয়ে ৮২ শতাংশ একুরেসি বজায় রেখেছে, বিপরীতে তিউনিসিয়া ১৬২টি পাসের মধ্যে ৭৫ শতাংশ নিখুঁত পাস দিতে পেরেছে। মাঠের লড়াইয়ে সুইডেন ৪টি ও তিউনিসিয়া ৩টি ফাউল করেছে এবং তিউনিসিয়ার খেলোয়াড়রা দুইবার অফসাইডের ফাঁদে পড়েছেন। প্রথমার্ধের এই আক্রমণাত্মক ফুটবল ও পরিসংখ্যানের লড়াই বলছে, দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচটি আরও জমজমাট হতে চলেছে।