ভিনিসিয়ুসের দারুণ গোলে সমতায় ব্রাজিল
পিছিয়ে পড়ার পর কিছুটা অগোছালো হয়ে পড়েছিল ব্রাজিল। আক্রমণেও ছিল না ধার। এমন মুহূর্তে দরকার ছিল এমন একজনের, এক ঝলক ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারেন যিনি। আর সেই দায়িত্বটাই নিজের কাঁধে তুলে নিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
ম্যাচের ৩২তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত এক দৌড়ে মরক্কোর রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করেন ব্রাজিলের এই তারকা ফরোয়ার্ড। বক্সের ভেতরে ঢুকে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জায়গা বের করে নেন তিনি। এরপর ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। কোনো সুযোগই ছিল না মরক্কোর গোলরক্ষকের।
গোলটি ছিল একেবারে ভিনিসিয়ুসের চেনা স্টাইলে, যে ধরনের গোল তিনি নিয়মিত করে থাকেন রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে। বাঁ প্রান্ত থেকে ভেতরে ঢুকে গতি, ড্রিবলিং ও নিখুঁত ফিনিশিংয়ের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে শাস্তি দেওয়াই যেন তার বিশেষত্ব। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সেই পরিচিত অস্ত্রই কাজে লাগালেন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার।
এই গোলের মাধ্যমে ব্রাজিলকে ম্যাচে ফেরানোর পাশাপাশি নিজের ক্যারিয়ারের একটি বিশেষ মাইলফলকও স্পর্শ করলেন ভিনিসিয়ুস। ব্রাজিলের জার্সিতে এটি তার ৫০তম ম্যাচ।
এর আগে ম্যাচের শুরুতে দাপট দেখিয়েছিল মরক্কো। ষষ্ঠ মিনিটেই বেনজামিন এল আইনুইয়ের শট থেকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিল তারা, যদিও গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসের অসাধারণ ব্লকে রক্ষা পায় ব্রাজিল। এরপর ২১তম মিনিটে ব্রাহিম দিয়াজের বাড়ানো থ্রু পাস ধরে গোলরক্ষক আলিসনের মাথার ওপর দিয়ে চিপ শটে বল জালে পাঠান ইসমায়েল সাইবারি। সেই গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মরক্কো।