সিথোলের লাল কার্ডে দক্ষিণ আফ্রিকা ১০ জনের
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আরও বিপদে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫০তম মিনিটে পেনাল্টি বক্সের ঠিক বাইরে মেক্সিকোর এক খেলোয়াড়কে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন মিডফিল্ডার স্ফেফেলো সিথোলে। এর ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় প্রোটিয়ারা। একই সঙ্গে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম লাল কার্ডের রেকর্ডও নিজের নামে লেখান সিথোলে। ফাউলের সুবাদে বিপজ্জনক জায়গা থেকে ফ্রি-কিক পায় মেক্সিকো। তবে সেখান থেকে সুবিধা আদায় করে নিতে পারেনি স্বাগতিকরা।
এর আগে, ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই স্বাগতিক মেক্সিকো দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। খেলার মাত্র নবম মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণভাগের ভুল পাসকে দারুণভাবে কাজে লাগিয়ে বল জালে জড়ান কিনিয়োনেস। এর মাধ্যমে দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ-এর এই মেগা আসরের অফিশিয়াল গোল খাতাটি তিনিই প্রথম খুললেন।
এক গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে দক্ষিণ আফ্রিকা। মেক্সিকোর আক্রমণ সামলাতে গিয়ে তারা কিছুটা শারীরিক ফুটবলের আশ্রয় নেয়। ম্যাচের ১৬তম মিনিটে আলভারো ফিদালগোকে কঠোর ট্যাকল করে টুর্নামেন্টের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন তেবোহো মোকোয়েনা। পরে ফাউল করে হলুদ কার্ড পান মেক্সিকোর এরিক গুতিয়েরেসও।
প্রথমার্ধের শেষভাগে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। ৩৫তম মিনিটে কিনিয়োনেসের চমৎকার পাস থেকে সুযোগ পেয়েও শট নিতে দেরি করায় গোলের সম্ভাবনা নষ্ট করেন মেক্সিকোর আলভারাদো। তিন মিনিট পর এমবোকাজির ক্রসে মাথা ছোঁয়ান দক্ষিণ আফ্রিকার লাইল ফস্টার, তবে তার প্রচেষ্টা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৪০তম মিনিটে দুর্দান্ত এক সেভ করে ব্যবধান বাড়তে দেননি রনওয়েন উইলিয়ামস। এরপর ৪২তম মিনিটে কিনিয়োনেসের শট গোলবারে লেগে ফিরে এলে দ্বিতীয় গোলের সুযোগ হাতছাড়া হয় মেক্সিকোর।