মেসিকে নিয়ে মিলল সুসংবাদ
ফিফা বিশ্বকাপের আগে লিওনেল মেসিকে ঘিরে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কেটে গেছে বলে জানিয়েছে তার ক্লাব ইন্টার মায়ামি। বিশ্বমঞ্চে নামার আগে ক্লাবের হয়ে সবশেষ ম্যাচ খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। এতে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই তারকাকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।
তবে এরই মধ্যে স্বস্তির খবর দিয়েছে মায়ামি। সোমবার (২৫ মে) ক্লাবটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মেডিকেল পরীক্ষায় গুরুতর কোনো চোট ধরা পড়েনি মেসির। তার হ্যামস্ট্রিংয়ে কেবল মাংসপেশিতে টান লেগেছে। যদিও আর্জেন্টাইন এই মহাতারকার মাঠে ফিরতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছুই জানায়নি ক্লাবটি।
এক বিবৃতিতে মায়ামি জানিয়েছে, ‘এই সোমবার আরও কিছু মেডিকেল পরীক্ষার পর প্রাথমিক রোগ নির্ণয়ে দেখা গেছে যে, তার বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে পেশির ক্লান্তির সাথে অতিরিক্ত চাপ বা ওভারলোডের সংযোগ রয়েছে।’
মেসির প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে তারা বলেছে, ‘শারীরিক কর্মকাণ্ডে তার ফিরে আসার সময়সীমা মূলত তার ক্লিনিকাল ও কার্যকারিতার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে।’
ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির সর্বশেষ ম্যাচে ৭৩তম মিনিটে মাঠ ছাড়েন মেসি। এরপর সরাসরি ড্রেসিংরুমে চলে যান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ম্যাচ চলাকালীন তাকে বাঁ-পায়ে কিছুটা অস্বস্তিতে ভুগতে দেখা যায়।
এর আগে, ৬৯তম মিনিটে আক্রমণে এগিয়ে গেলেও হঠাৎ থেমে গিয়ে সতীর্থদের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেছিলেন মেসি। পরে তাকে বদলি করে মাতেও সিলভেত্তিকে মাঠে নামান কোচিং স্টাফ।
এদিকে স্বস্তির খবর দিয়েছেন ইতালিয়ান ক্রীড়া সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোও। এক্সে নিজের পোস্টে তিনি জানান, ‘বিশ্বকাপের আগে লিওনেল মেসি কেবল অস্বস্তিতে ভুগেছে। কিন্তু কোনো গুরুতর চোট পাননি। টেস্টে নিশ্চিত হওয়া গেছে।’
উল্লেখ্য, আগামী ১১ জুন শুরু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ। এর পাঁচদিন পর আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বৈশ্বিক এই টুর্নামেন্টে নিজেদের অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা।