১৭ মে ২০২৬, ২০:৩৫

কোলম্যানকে কোচ হিসেবে পেতে সব ধরনের সহযোগিতা করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়: আমিনুল হক

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক  © সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের পরবর্তী কোচ হিসেবে হাভিয়ের কাবরেরার স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন, তা নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। ফুটবলপ্রেমী এবং বোদ্ধাদের নজর এখন ক্রিস কোলম্যানের দিকে। এই হাইপ্রোফাইল কোচকে বাংলাদেশের ডাগআউটে আনার জন্য বাফুফেকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে নীতিগত সম্মতিও দেওয়া হয়েছে। তবে কোলম্যানকে শেষ পর্যন্ত পাওয়া যাবে কি না, তা এখন পুরোপুরি নির্ভর করছে তার এজেন্টের সাথে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ওপর।

৪৯ তম জাতীয় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক কোচের বিষয়ে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘১বিদেশি কোচের ক্ষেত্রে কিছু আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন বা আনুষ্ঠানিকতা থাকে। বর্তমানে কোলম্যানের এজেন্টের সাথে বাফুফের আলোচনা চলছে। বাফুফের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, এজেন্টের সাথে এখনো চূড়ান্ত বোঝাপড়া শেষ হয়নি। তাই কোলম্যানকে বাংলাদেশ দলের কোচ হিসেবে নিশ্চিতভাবে পাওয়া যাবে কি না, তা জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।’

তবে দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সরকার কোলম্যানকেই চায়। যদি কোনো কারণে এজেন্টের সাথে আলোচনা ব্যর্থ হয়, তবে বিকল্প কোচের বিষয়েও ইতিমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং বিকল্প তালিকা নিয়ে আলোচনা চলছে।

ফুটবলের পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক খেলাধুলার উন্নয়নে ফেডারেশনগুলোর জবাবদিহিতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর জোর দেন আমিনুল হক। তিনি জানান, দেশের সব ক্রীড়া ফেডারেশনকে তাদের বাৎসরিক ক্যালেন্ডার জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। 

অনেক ফেডারেশন ইতিমধ্যে তা জমা দিলেও কিছু ফেডারেশন এখনো দেয়নি।

বিশেষ করে দেশের অ্যাথলেটিক্স নিয়ে ব্যাপক সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অ্যাথলেটিক্সে বাংলাদেশের ভালো করার দারুণ সুযোগ রয়েছে। ফেডারেশন যদি একদম তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ের কাছে জমা দেয়, তবে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে।’ 

৫ বা ১০ বছর পর অলিম্পিকের মতো বড় মঞ্চে বাংলাদেশ যাতে পদক জয় করতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়ে একদম ‘জিরো’ থেকে কাজ শুরু করতে চায় মন্ত্রণালয়। অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনকে সেই অনুযায়ী বাস্তবমুখী পরিকল্পনা সাজিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।