দুই গোলে এগিয়ে থেকেও হারল বাংলাদেশ
রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই যেন একরাশ হতাশার ছায়া। ডি-বক্সের ভেতরেই শুয়ে পড়লেন গোলরক্ষক মিলি আক্তার। তবে শুধু মিলিই নন, দলের আরও অনেক খেলোয়াড়ের চোখেমুখে হতাশা স্পষ্ট।
ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে প্রথম গোল হজম করার পরও জয়ের সম্ভাবনা বাংলাদেশের পক্ষেই ছিল। কিন্তু ৭৬তম মিনিটে আরেকটি পেনাল্টি থেকে গোল খেয়ে ধাক্কা খায় দল। এর মাত্র তিন মিনিট পরই তৃতীয় গোল করে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় থাইল্যান্ড। এতে পুরোপুরি বদলে যায় ম্যাচের চিত্র।
শেষ পর্যন্ত আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। পিছিয়ে পড়ার পর একটি গোল শোধ করার সুযোগ থাকলেও তা কাজে লাগানো যায়নি। ফলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়।
এদিকে ৪ এপ্রিল পরবর্তী ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ চীন। এরপর ৭ এপ্রিল গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামের বিপক্ষে লড়বে বাঘিনীরা। বাকি দুই ম্যাচে ভালো ফল করে অন্তত সেরা তিনে থাকতে পারলে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা থাকবে তাদের।
এর আগে, থাইল্যান্ডের থাম্মাসাত স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে প্রথম গোল করে বাংলাদেশ। মমিতা খাতুনের থ্রো পাস থেকে ডি-বক্সের মাঝখান থেকে ডান পায়ের শটে জাল খুঁজে পান মোসাম্মাৎ সাগরিকা। এই লিড নিয়েই বিরতিতে যায় দল।
বিরতির পর মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করে বাংলাদেশ। উমেলা মারমার অ্যাসিস্ট থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন সাগরিকা। এরপরই শুরু হয় থাইল্যান্ডের ঘুরে দাঁড়ানো। ৬৮তম মিনিটে সুরভী আরফিনের ভুলে প্রথম পেনাল্টি পায় থাইল্যান্ড, আর ৭৬তম মিনিটে নবিরন খাতুনের ফাউলে আসে দ্বিতীয় পেনাল্টি। প্রথমটি থেকে গোল করেন কুরিসারা লিম্পাওয়ানিচ এবং দ্বিতীয়টি থেকে রিনিয়াফাত। শেষ পর্যন্ত ওপেন প্লে থেকে পিচায়াতিদা মানোওয়াংয়ের গোলেই জয় নিশ্চিত করে থাইল্যান্ড।