০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১৬:১৪

‘রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়াই ৭ নভেম্বরের বার্তা’

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী  © সংগৃহীত

রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার মানসিকতা গড়ে তোলাই ৭ নভেম্বরের অন্যতম প্রতিপাদ্য বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক ড. মো. শিবলু রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. গোলাম রাব্বানী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা তুলে ধরে বলেন, ‘তার জাতীয়তাবাদের মূল দর্শন ছিল ধর্ম, বর্ণ ও মতপার্থক্য নির্বিশেষে দেশের সব নাগরিককে অভিন্ন জাতীয় ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ করা। তিনি এমন এক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দর্শন সামনে নিয়ে এসেছিলেন, যেখানে ক্ষমতার কেন্দ্র হবে জনগণ এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে উন্নয়ন পৌঁছাবে একদম তৃণমূল পর্যায়ে। তাঁর ১৯ দফা কর্মসূচির মধ্য দিয়েই এ দেশের কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার মূল ভিত্তি তৈরি হয়েছিল।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বার্তা শুধু কোনো রাজনৈতিক উত্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; জাতীয় সংকটের মুহূর্তে এটি দেশপ্রেম ও সংহতির প্রেরণা যোগায়। বিগত সময়ে এই ঐতিহাসিক দিবসটির রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন সংকুচিত করা হলেও বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান কর্তৃক সাধারণ ছুটি পুনঃপ্রবর্তনের সিদ্ধান্ত দিবসটিকে পুনরায় তার প্রাপ্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ফিরিয়ে এনেছে।’

বক্তব্যে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, গবেষণা ও শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তি বিকশিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির ধারাবাহিক বিকাশ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। আলোচনা সভা শেষে দিবসটি উপলক্ষে এক বিশেষ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।