১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:১৫

দেশে আরও একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে

পর্যটন নগরী কক্সবাজার  © ফাইল ফটো

ইউনিভার্সিটি অব ব্ল ইকোনোমি সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি নামে কক্সবাজারে বিশেষায়িত একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ প্রদান করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের একটি আধা-সরকারি পত্র প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানোর পর তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে। আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

পেজে আধা-সরকারি পত্রটিও তিনি শেয়ার করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া সেই পত্রে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লেখেন, বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় অঞ্চলে বিপুল সম্ভাবনাময় সামুদ্রিক সম্পদকে পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগানোর জন্য বিশেষায়িত উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন, যার এখনও যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে কক্সবাজারে ইউনিভার্সিটি অব ব্ল ইকোনোমি সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি নামে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা জাতীয় স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হতে পারে।

আধা-সরকারি পত্রে আরও লেখা হয়, একটি পূর্ণাঙ্গ নতুন বিশ্ববিদ্যালয় শূন্য থেকে প্রতিষ্ঠা করতে দীর্ঘ সময়, বিপুল অর্থ এবং পৃথক অবকাঠামো প্রয়োজন। এ বাস্তবতা বিবেচনায়, কক্সবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিদ্যমান অবকাঠামো, ল্যাবরেটরি, গবেষণা-সুবিধা, বৈজ্ঞানিক জনবল, প্রশিক্ষণ পরিবেশ এবং উপকূলভিত্তিক গবেষণা কাঠামোকে ব্যবহার করে ইউনিভার্সিটি অব ব্ল ইকোনোমি সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজির প্রাথমিক একাডেমিক ও ব্যবহারিক কার্যক্রম দ্রুত চালু করা যেতে পারে। বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ইতোমধ্যে একটি জাতীয় সামুদ্রিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে কক্সবাজারে সুপ্রতিষ্ঠিত।

‘‘ফলে এর বিদ্যমান সুবিধা ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রারম্ভিক পর্যায়ে সমুদ্রবিজ্ঞান, মৎস্য ও অ্যাকুয়াকালচার, সামুদ্রিক পরিবেশ, উপকূলীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা, ব্লু ইকোনমি, সামুদ্রিক তথ্য, পর্যটন ও হসপিটালিটি-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠদান, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। এতে দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো নির্মাণের জন্য অপেক্ষা না করে একটি গবেষণামুখী, ব্যবহারিক এবং বাস্তবভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত চালু করা যাবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে একদিকে ব্লু ইকোনমি সংক্রান্ত বিদ্যমান জাতীয় গবেষণা অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে দেশের ব্লু ইকোনমি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে।’’

পত্রের শেষে লেখা হয়, এ অবস্থায় কক্সবাজারে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিদ্যমান একাডেমিক ও গবেষণা সুবিধার উপর ভিত্তি করে ইউনিভার্সিটি অব ব্ল ইকোনোমি সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি নামে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার সানুগ্রহ সম্মতির জন্য বিনীত নিবেদন করছি।’’