২৬ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৫৯

গোবিপ্রবিতে ৪০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে হতে যাচ্ছে গবেষণা সম্মেলন

টিডিসি সম্পাদিত  © সংগৃহীত

দেশের ৪০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) শুরু হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী গবেষণা সম্মেলন ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি সামিট ২০২৬’। আগামী ২৮ ও ২৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিতব্য এ সম্মেলনে সাতটি বিষয়ভিত্তিক অধিবেশনে নির্বাচিত ৬৬টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হবে।

‘বৈশ্বিক প্রভাবের জন্য চিন্তার মিলন’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সম্মেলনের আয়োজন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মডেল ইউনাইটেড নেশনস ও বৈশ্বিক বিষয়াবলি নিয়ে কাজ করা সংগঠন জিএসটিইউ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল (জিএসটিইউজিএসি)।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবনের ১১৩ নম্বর কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সম্মেলনের আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক ড. নিয়াজ আল হাসান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সম্মেলনে সাতটি বিষয়ভিত্তিক অধিবেশনে শিক্ষার্থীদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন ও আলোচনা হবে। প্রথম দিনে তিনটি এবং দ্বিতীয় দিনে চারটি—মোট সাতটি সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এসব অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন।

আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক ড. নিয়াজ আল হাসান জানান, সম্মেলনে মোট ১১১টি গবেষণাপত্র জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে এর মধ্যে ৬৬টি গবেষণাপত্র চূড়ান্তভাবে উপস্থাপনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। নির্বাচিত গবেষণাপত্রগুলো পরবর্তীতে ম্যাগাজিন আকারে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি সম্মেলনের কার্যবিবরণী (প্রসিডিংস) আইএসবিএন নিবন্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গবেষণা কার্যক্রমে ৩৬ জন সহলেখক (অবজারভার) যুক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: বদলি আবেদনে ভাটা, পাঁচ কারণ জানালেন শিক্ষকরা

সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে দায়িত্ব পালন করবেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গোবিপ্রবিসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

আয়োজকদের দাবি, ৪০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক-শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ, সাতটি আন্তঃবিষয়ক সেশন এবং আইএসবিএন-নিবন্ধিত কার্যবিবরণী প্রকাশের উদ্যোগের কারণে ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি সামিট ২০২৬’ দেশের বৃহৎ শিক্ষার্থী গবেষণা সম্মেলনগুলোর একটি হতে যাচ্ছে।

আয়োজকরা মনে করেন, শিক্ষার্থীদের গবেষণা বৃহত্তর পরিসরে উপস্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং আন্তঃবিষয়ক গবেষণায় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে এ সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।