সমালোচনার মুখে লোডশেডিং শিডিউলের বিজ্ঞপ্তি বাতিল করল বুয়েট
সমালোচনার মুখে একদিন পর ক্যাম্পাসের লোডশেডিং শিডিউলের জরুরি সেই বিজ্ঞপ্তি বাতিল করেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমের কথা বিবেচনা করে ক্লাস চলাকালীন কোনো ধরনের লোডশেডিং না রাখারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) বুয়েটের প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, বিদ্যুৎ স্বল্পতার কারণে বুয়েট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) আলোচনার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বুয়েট এলাকায় ডিপিডিসি কোনো লোডশেডিং দেবে না।
তবে নির্ধারিত সময়ের বাইরে অন্যান্য সময়ে লোডশেডিং হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে বুয়েটের নিজস্ব পাওয়ার প্ল্যান্টে গ্যাসের পর্যাপ্ত প্রেসার থাকা সাপেক্ষে জেনারেটরের মাধ্যমে বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
একই সঙ্গে এ বিষয়ে গতকাল রবিবার (২৩ আগস্ট) প্রকাশিত জরুরি বিজ্ঞপ্তিটি বাতিল করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে।
এর আগে রবিবার দিনে ৫ ঘণ্টার লোডশেডিংয়ের সূচি রেখে জরুরি বিজ্ঞপ্তি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এই নোটিশে ক্লাস চলাকালীন সময়েও লোডশেডিংয়ের সূচি রাখা হয়।
তবে ক্লাস চলাকালীন বাইরে লোডশেডিং পাঁচ ঘণ্টার বেশি হবে নাকি কম হবে, এ ব্যাপারে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেককেই এ বিষয়ে সমালোচনা করতে দেখা গেছে। পরে সমালোচনার মুখে একদিন পর সেই বিজ্ঞপ্তি বাতিল করল বুয়েট কর্তৃপক্ষ।