১৬ আগস্ট ২০২৬, ২১:৫৬

দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে যবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

প্রকাশিত সংবাদকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর’ দাবি করে এর প্রতিবাদে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন।  © টিডিসি ছবি

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শিমুল ইসলাম এবং বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর’ দাবি করে এর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন নিজ নিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (১৬ আগস্ট) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবন থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিলটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেয়।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, গত ৯ আগস্ট একটি স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত একটি নিউজে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা তাদের দাবি অনুযায়ী মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর’

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু হুরাইরা বলেন, ড. মো: শিমুল ইসলাম এবং ড. মো: আলাউদ্দিন স্যারের বিরুদ্ধে একটি স্থানীয় পত্রিকায় একটি মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষকরা তাঁদের সততা, নিষ্ঠা ও একাডেমিক মান দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান রক্ষা করে চলেছেন। ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্যই এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে আমি মনে করি। সত্যকে বিকৃত করে সংবাদ পরিবেশন সাংবাদিকতার নীতিমালার চরম লঙ্ঘন। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জয়িতা সাহা বলেন, আমাদের বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. আলাউদ্দিন স্যারকে নিয়ে ‘দৈনিক লোকসমাজে’ প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি পত্রিকাটিকে প্রকাশিত সংবাদ প্রত্যাহার করে স্যারের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।

একই বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুল সাকিব বলেন, এ বিষয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করেছি। উপাচার্য আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, ঘটনার পেছনে থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে একটি সভা করে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হবে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।