১৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৩৭

শাবিপ্রবিতে র‍্যাগিং তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়  © টিডিসি ফাইল ফটো

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সৈয়দ মুজতবা আলী হলের পাশের আবাসিক এলাকায় অবস্থিত রিপন ছাত্রাবাসে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ তদন্তে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মুহাম্মদ আব্দুল কাদির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে  জানানো হয়, গত ১০ আগস্ট রাতে ঘটে যাওয়া র‍্যাগিংয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গঠিত তদন্ত কমিটিতে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর মো. বেলায়েত হোসেন সিকদারকে সভাপতি ও পরিসংখ্যান বিভাগের প্রভাষক ও সহকারী প্রক্টর মো. সাদেকিন-কে কমিটির সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যর একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর ড. মুহাম্মদ ওমর ফারুক, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, এবং অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক ও সহকারী প্রক্টর মোহাম্মদ শোয়াইব।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ মুজতবা আলী হল সংলগ্ন বড়গুল রিপন ছাত্রাবাসে ৬ সিনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নতুন ভর্তি হওয়া প্রথম বর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে বিকৃত যৌন অভিনয় করানোর অভিযোগ উঠে। 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, ‘এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর জন্মদিন উপলক্ষে তাদেরকে নিয়ে বসার কথা বলে ছয়জন সিনিয়র মিলে র‌্যাগ দেয়। প্রথমে চারজনকে বিভিন্ন ধরনের নাচ করতে বাধ্য করা হয়। সেসময় কেউ ভুল করে হাসলে তাকে পা তুলে দাঁড়িয়ে থাকতে বলা হয়। পরে বিভিন্ন ধরনের (দশ রকমের) কান্নার অভিনয় করানো হয়।’

আরো জানান, ‘একজনকে গামছার মাধ্যমে মেয়ে এবং আরেকজনকে ছেলে সাজিয়ে প্রপোজ করার অভিনয় করানো হয়। এরপর বিভিন্ন অশালীন ও প্রাপ্তবয়স্কদের কবিতা জোরে জোরে পড়তে বলা হয়। একজনকে আপত্তিকর শব্দ বা যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ শব্দ করতে বাধ্য করা হয়।’