০৫ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪৪

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে যবিপ্রবির গণভোজে অংশ নেবেন ৩ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী

যবিপ্রবি ক্যাম্পাস   © সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) প্রায় ৩ হাজার ১৩০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে গণভোজের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এ আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ছাত্র হল ও দুটি ছাত্রী হলে গণভোজ অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তথ্যমতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোট ৩ হাজার ১৩০ জন শিক্ষার্থী টোকেন সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে মুন্সী মেহেরুল্লাহ হলে ১ হাজার, শহীদ মসিয়ুর রহমান হলে ৯০০, তাপসী রাবেয়া হলে ৫৩০ এবং বীর প্রতীক তারামন বিবি হলে ৭০০ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গণভোজে মাথাপিছু ব্যয় ধরা হয়েছে ২০০ টাকা। এর মধ্যে শিক্ষার্থীরা ৭০ টাকা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ৯০ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট হল কর্তৃপক্ষ ৪০ টাকা করে বহন করছে।

গণভোজের মেন্যুতেও রাখা হয়েছে ভিন্নতা। মুন্সী মেহেরুল্লাহ হল ও শহীদ মসিয়ুর রহমান হলে পরিবেশন করা হবে পোলাও, গরু বা খাসির মাংস, মুগ ডাল, দই, সফট ড্রিংকস ও সালাদ। অন্যদিকে তাপসী রাবেয়া হল ও বীর প্রতীক তারামন বিবি হলে পরিবেশন করা হবে কাচ্চি, মোরগ পোলাও, দই ও সফট ড্রিংক।

বীর প্রতীক তারামন বিবি হলের শিক্ষার্থী শামীমা আক্তার বলেন, ‘জুলাই আমাদের কাছে সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর প্রতীক। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য গণভোজের আয়োজন করেছে। আমি এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। আমি ও আমার সহপাঠীরা টোকেন সংগ্রহ করেছি। আশা করছি, খাবারের মান ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা সন্তোষজনক হবে।’

এ বিষয়ে মুন্সী মেহেরুল্লাহ হলের প্রভোস্ট ড. মো. আব্দুর রউফ সরকার বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আমাদের হলে আবাসিক ও অনাবাসিক মিলিয়ে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী টোকেন সংগ্রহ করেছে। আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।