৩০ জুন ২০২৬, ১০:১০

গোবিপ্রবির ২৪ শিক্ষার্থীর হাতে ট্রাস্ট বৃত্তি

অনুষ্ঠানে গোবিপ্রবির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা  © টিডিসি ফটো

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ইতিহাস বিভাগের মেধাবী ও অসচ্ছল ২৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ২০২৬ সালের  'গুণীজন সাইদুর রহমান (চাঁদ মিয়া)-তহমিনা বেগম ট্রাস্ট' বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৫০১ নম্বর কক্ষে ইতিহাস বিভাগের আয়োজনে এ বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ইতিহাস বিভাগের সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবিকী অনুষদের ডিন অধ্যাপক সুকান্ত বিশ্বাস। স্মারক বক্তা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোছা. সানজীদা পারভীন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বিশ্ববিদ্যালয়ে 'গুণীজন সাইদুর রহমান (চাঁদ মিয়া)-তহমিনা বেগম ট্রাস্ট' বৃত্তি চালুর জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বৃত্তির ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ বড় বিষয় নয়; বৃত্তি অর্জন করাটাই মুখ্য বিষয়। আমাদের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমি ১২টি বৃত্তি পেয়েছিলাম, যা আমার জন্য ছিল অত্যন্ত আনন্দের। যারা বৃত্তি পেয়েছ, তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আর যারা এবার বৃত্তি পাওনি, তাদের প্রতি প্রত্যাশা থাকবে ভালোভাবে পড়াশোনা করে আগামীতে তোমরাও বৃত্তি অর্জন করবে।’

আরও পড়ুন : নেই শিক্ষক, সংকট কম্পিউটারের, এক যুগেও পূরণ হয়নি আইসিটি শিক্ষার ঘাটতি

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ আগের মতো নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে তোমরা শিখতে এসেছ, আর শেখার জন্য প্রচুর বই পড়তে হবে। বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।’

এ বছর বৃত্তির আওতায় মেধা ক্যাটাগরিতে ৫ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে দুইজনকে জনপ্রতি ৬ হাজার টাকা এবং তিনজনকে জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এছাড়া অসচ্ছল ক্যাটাগরিতে ১৯ জন শিক্ষার্থীকে জনপ্রতি ৪ হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে মোট ১ লাখ ৩ হাজার টাকার বৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে।