২১ মে ২০২৬, ২২:৪৬

ডুয়েট আন্দোলন ঘিরে জিএমপি কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শিবির নেতাদের

জিএমপি কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ডুয়েট শাখার নেতৃবৃন্দ  © টিডিসি সম্পাদিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) কেন্দ্রিক চলমান আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ডুয়েট শাখার নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে ডুয়েটে চলমান ভিসিবিরোধী আন্দোলনকে ছাত্রশিবিরের আন্দোলন হিসেবে উপস্থাপন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের দুষ্কৃতকারী হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। একইসঙ্গে বহিরাগত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলোর শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানানো হয়।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবির ডুয়েট শাখার সভাপতি আব্দুল আহাদ, সেক্রেটারি তাসনীম আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম লিমনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এ সময় ছাত্রশিবির ডুয়েট শাখার সভাপতি আব্দুল আহাদ বলেন, ‘ডুয়েটের ভিসিবিরোধী আন্দোলন ছিল সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন। কিন্তু একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এ আন্দোলনের দায় ছাত্রশিবিরের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু প্রতিবেদনে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত হামলাকারীদের বিচার চাই।’ তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা না করে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। অন্যথায় ক্যাম্পাসে অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হতে পারে।

সাক্ষাৎকালে জিএমপি কমিশনার ঈসরায়েল হাওলাদার  বলেন, ঘটনার ক্ষেত্রে তথ্যের ঘাটতি থাকতে পারে। বিষয়টি অবশ্যই তদন্ত করে দেখা হবে।” একইসঙ্গে তিনি ডুয়েটে স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উল্লেখ্য, ডুয়েটে চলমান আন্দোলনকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভিসির পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ, হামলা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বহিরাগতরা হামলা চালিয়েছে।অন্যদিকে বিভিন্ন মহলে আন্দোলনের পেছনে ছাত্ররাজনীতির সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আলোচনা চলছে।

এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে সংলাপ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।