২০ মে ২০২৬, ১১:৩৮

কুয়েটে এএএসডিসির উদ্যোগে ‘রিসার্চ পেপার লেখার সহজ কৌশল’ শীর্ষক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারের সেমিনার কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়  © টিডিসি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) অ্যাকাডেমিক এচিভমেন্ট অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (এএএসডিসি) উদ্যোগে ‘রিসার্চ পেপার লেখার সহজ কৌশল’ শীর্ষক একটি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সেন্টারের সেমিনার কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল এএএসডিসির প্রথম আনুষ্ঠানিক আয়োজন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মূলত ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (এমএসই) এবং ইলেক্ট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও একাডেমিক লেখালেখিতে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুদ। সভাপতিত্ব করেন এএএসডিসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. খন্দকার মাহবুব হোসেন, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ।

ওয়ার্কশপের শুরুতে অতিথিরা গবেষণা, উচ্চশিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক লেখালেখির গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুদ সম্প্রতি আর্কিটেকচার বিভাগের ২৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী সায়েম ফেরদৌসের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন। পরে তিনি গবেষণা কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, গবেষণাভিত্তিক জ্ঞান ও মানসম্মত একাডেমিক রাইটিং আধুনিক উচ্চশিক্ষা ও উদ্ভাবনের অন্যতম ভিত্তি।

পরবর্তীতে এএএসডিসির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কার্যক্রম তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হোসেন।

ওয়ার্কশপটি পরিচালনা করেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রিনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা জামান চৌধুরী। তিনি কর্মশালার সেশনকে তিনটি ধাপে ভাগ করে ‘সার্চ পেপার লেখার সহজ কৌশল’ বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা দেন। কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।

উল্লেখ্য, কুয়েটের এএএসডিসি শিক্ষার্থীদের গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি, একাডেমিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে কাজ করছে।