পাবিপ্রবিতে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রদল–ছাত্রশিবিরের হেল্প ডেস্ক
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি)-তে ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের সমন্বিত গুচ্ছভুক্ত প্রথম বর্ষের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে এক ঘণ্টাব্যাপী এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছিলেন ৭৫০৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৮০% শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এবং বাকিরা অনুপস্থিত ছিলেন।
ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন অরাজনৈতিক সংগঠন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহায়তায় হেল্প ডেস্ক স্থাপন করে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের উদ্যোগে তথ্য সহায়তা কেন্দ্র, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়াও নিরাপদ পানি, কলম ও নাস্তার ব্যবস্থা করা হয়।
অন্যদিকে, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের হেল্প ডেস্কে শিক্ষার্থীদের জন্য খাবার পানি, নাস্তা এবং বিভিন্ন তথ্য সহযোগিতামূলক সেবা প্রদান করা হয়। অভিভাবকদের জন্য বসার ব্যবস্থা ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও রাখা হয়।
এ ধরনের শিক্ষার্থী বান্ধব উদ্যোগের কারণে ছাত্রদল, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন সংগঠনের কার্যক্রম প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা এক শিক্ষার্থী বলেন, 'আমি প্রথমবার পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছি। এখানে এসে হেল্প ডেস্ক থেকে অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। তারা আমাদের পরীক্ষা কেন্দ্রের তথ্য দিয়েছে, পানি ও কলম দিয়েছে। বাইরে অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থাও করেছে। এমন উদ্যোগ সত্যিই অনেক ভালো।'
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মোজাহিদ হোসেন বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল একটি শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন। আমরা সবসময় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার চেষ্টা করি। অভিভাবকদের জন্য বসার ব্যবস্থা করেছি, কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে তার জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি সবাইকে সেবা দেওয়ার জন্য।'
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি তুষার মাহমুদ বলেন, 'বিগত বছরগুলোর মতো এবারও আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য হেল্প ডেস্ক দিয়েছি। অভিভাবকদের বসার ব্যবস্থা, প্রাথমিক চিকিৎসা, পানি ও খাবারের ব্যবস্থা করেছি। আগামী দিনগুলোতে আরও বড় পরিসরে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবো।'