০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৪

পে স্কেল দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা কল্যাণ সমিতির, দ্রব্যমূলের সাথে বেতন-ভাতাও সমন্বয়ের আহবান

নবম জাতীয় পে স্কেল  © ফাইল ছবি

দীর্ঘ ১১ বছর পর নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি। আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতির সাথে সমন্বয় করে বেতন-ভাতাও সমন্বয় করার আহবান জানানো হয়েছে।

কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুল মালেক এবং মহাসচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১১ বছরের চাওয়া-পাওয়ার অবসান হলো ৩১ আগস্ট নবম পে স্কেলের অনুমোদনের মধ্যে দিয়ে। এই ১১ বছরে দুটি পে স্কেল থেকে বঞ্চিত প্রায় ২৩ লাখ কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী ও অবসরভোগীরা। 

তারা বলেন, দীর্ঘ ১১ বছরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মৌলিক বেতনের কোনো বৃদ্ধি হয়নি, দ্রব্যমূলের উর্ধ্বগতির সাথে তাল মিলিয়ে অধিকাংশ কর্মচারীরা চলতে না পারায় নিষ্পেষিত হয়েছে। বিভিন্নভাবে ঋণগ্রস্ত হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় কর্মচারীদের চাওয়া পাওয়ার অবসান ঘটলো। ১ জুলাই থেকে সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা হিসাবে পে স্কেল প্রাপ্যতা নিশ্চয়তা দিলেন সরকার। 

আরও খবর: এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও পে স্কেলের আওতায় আসছেন

দেশের বিশাল আর্থিক ক্রাইসিসের মধ্যে থেকেও সরকার পে স্কেল বাস্তবায়ন করায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাওয়া পাওয়ায় কিছুটা ঘাটতি থাকলেও তথাপি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি পরিবার। তবে সরকারের প্রতি তাদের আহবান, দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতির সাথে যাতে বেতন-ভাতা সমন্বয় করা হয়। 

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ভাতাদি সংস্কার করার আহবান জানিয়ে তারা বলছেন, দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির মধ্যে দিয়ে চূড়ান্তভাবে পে স্কেল বাস্তবায়ন চান তারা।