মাদ্রাসা অধিদপ্তর নয়, তিন দাবিতে এমপিও শিক্ষকদের অবস্থান প্রেস ক্লাবে
তিন দফা দাবি আদায়ে বড় আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। প্রাথমিকভাবে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের কথা থাকলেও শিক্ষকদের কথা চিন্তা করে আন্দোলনের স্থল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য জানিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী।
তিনি জানান, ‘নিজেদের অধিকার আদায়ে শিক্ষকরা সব সময় একতাবদ্ধ। অসংখ্য শিক্ষক আন্দোলনে অংশ নিতে ঢাকায় আসবেন। এজন্য শিক্ষকদের চাওয়া ছিল আন্দোলনের ভেন্যু পরিবর্তনের। শিক্ষকদের স্বার্থে আন্দোলনের ভেন্যু জাতীয় প্রেস ক্লাবে দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা ডিএমপি কমিশনার বরাবর আবেদন করেছি।’
জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি, দ্রুত নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন প্রদান এবং আসন্ন ঈদে শতভাগ উৎসব ভাতার দাবিতে আন্দোলনে নামছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। আগামী ৪ নভেম্বর অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন শুরু হবে বলে তারা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, আবেদনগ্রহণের দেড় মাস হতে চললেও এখনো বদলির ফল প্রকাশিত হয়নি। এতে নিজ বাড়ি থেকে শত শত কিলোমিটার দূরে চাকরিরত শিক্ষকরা অমানবিক জীবনযাপন করছেন। অবিলম্বে শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশ করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি মাস থেকে নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন। অথচ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা কবে থেকে নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন, তা নিশ্চিত নয়। এই অনিশ্চয়তা দূর করতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেল বাস্তবায়নের নির্দেশনা জারি করতে হবে।
এ শিক্ষক নেতা আরও বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের শতভাগ উৎসব ভাতা পেলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা পান না। এটি চাকরি ক্ষেত্রে অনেক বড় বৈষম্য তৈরি করেছে।
এমপিওভুক্ত জনবল অনেক ভাতা পান না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই বৈষম্য দূর করে শতভাগ উৎসব ভাতা বাস্তবায়ন করতে হবে। এই তিন দাবিতে আগামী ৪ নভেম্বর অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা।