আরও ১৭ বেসরকারি স্কুল-কলেজ জাতীয়করণের উদ্যোগ
দেশের আরও ১৭টি বেসরকারি স্কুল ও স্কুল অ্যান্ড কলেজ জাতীয়করণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে স্কুল অ্যান্ড কলেজ রয়েছে পাঁচটি এবং শুধু স্কুল ১২টি। তালিকায় গাজীপুরের চারটি, বগুড়া, গোপালগঞ্জ এবং সিলেটের দুইটি করে; দিনাজপুর, নাটোর, বরিশাল, সুনামগঞ্জ, ফরিদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঝিনাইদহের একটি করে প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি মাধ্যমিক-৩ শাখার উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয়করণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের সংখ্যা, বিগত পাঁচ বছরের ফলাফল, অবকাঠামোসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন পাঠাতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—গাজীপুরের চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, কালিয়াকৈরের গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কালিয়াকৈর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং শ্রীপুরের কাওরাইদ কালী নারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয়।
বগুড়ার সীমাবাড়ী সেতারা রব্বানী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ধুনট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজও রয়েছে তালিকায়। দিনাজপুর সদর উপজেলার দিনাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় এবং নাটোরের নলডাঙ্গার ডা. নাসির উদ্দিন তালুকদার উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে তালিকায়।
এ ছাড়া বরিশালের উজিরপুরের শোলক ভিক্টোরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জের দিরাই উচ্চ বিদ্যালয় এবং ফরিদপুরের নগরকান্দার লস্করদিয়া আতিকুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। গোপালগঞ্জের পূর্ব কোটালীপাড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও মুকসুদপুরের বাটিকামারী উচ্চ বিদ্যালয় তালিকাভুক্ত হয়েছে।
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং বালাগঞ্জের কালীগঞ্জ এম ইলিয়াস আলী উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে তালিকায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের গোকর্ণ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ঝিনাইদহ সদরের ঝিনাইদহ ওয়াজির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ এ জাতীয়করণের আওতায় এসেছে।
এ জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলার আয়তন, ইউনিয়নের সংখ্যা, মোট জনসংখ্যা, জাতীয়করণের যৌক্তিকতা এবং ওই উপজেলায় আগে কতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হয়েছে, সে তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা, শিক্ষকের সংখ্যা এবং বিগত পাঁচ বছরের ফলাফল উল্লেখ করে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে।
এর আগে গত ২৯ অক্টোবর মাউশি দেশের আরও পাঁচটি বেসরকারি কলেজ জাতীয়করণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে পরিদর্শন কমিটি গঠন করে। ওই তালিকায় বগুড়ার তিনটি, রংপুরের একটি ও পঞ্চগড়ের একটি কলেজ রয়েছে।