বিসিএস ক্যাডার হওয়ার পর সবার ট্রেনিং আছে, ওরিয়েন্টেশন ছাড়াই জয়েন করে শুধু শিক্ষক
বিসিএস ক্যাডার হওয়ার পর সবার ট্রেনিং থাকলেও ওরিয়েন্টেশন ছাড়াই শুধু শিক্ষকরা জয়েন করে বলে মন্ত্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, অ্যাডমিন ক্যাডারের সাথে শিক্ষা ক্যাডারের পার্থক্য হচ্ছে, ‘ফল্ট অফ দ্য এডুকেশন মিনিস্ট্রি’। তারা ওইভাবে ট্রেইন করে না।’
তিনি বলেন, ‘একই ক্যাডার একই বিসিএস, তারা যদি পিটিআইতে কদিন ট্রেনিং নেয়? এটা বিসিএস তো আছে নাকি? মানে অ্যাডমিনে। এডমিন পাঁচটা কতদিন ট্রেনিং? চার মাস পাঁচ মাস। ট্রেনিং দিয়ে তারপর আসতেছে। আপনাদের কোন ট্রেনিং ব্যবস্থা নাই। আছে? হু আন্ডার মাইন দ্যাট, এডুকেশন মিনিস্টার।’
সোমবার (২ নভেম্বর) নায়েমের ২১০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের ১৮ অলরেডি সরকারি শিক্ষক টিচার আছে। আমরা পার্টিকুলারলি কিছুদিন আগে ৬৫০ জন পেলাম, আবার আজকে আমার যাওয়ার কথা ছিল আরডিএতে, সেখানে আবার বোধহয় ৩৮৪ জন আছে?
আরও খবর: জবি শিক্ষার্থীদের অপ্রাসঙ্গিক আন্দোলন না করার আহবান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
তিনি আরও বলেন, যারা বিসিএস ক্যাডার হচ্ছে, তারা ক্যাডার হওয়ার সাথে সাথেই তারা ট্রেনিংয়ে যায়, ট্রেনিং শেষে তারা জয়েন করে—আর্মি, পুলিশ, নেভি, এয়ারফোর্স- এভরিবডি। কিন্তু শিক্ষকদের কোনো ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামই নেই, শিক্ষায় জয়েন করে ফেলে। আর আমরা প্যারালালি দেখি, বলা হয়, আন্ডারমাইন্ড করা হয়, যারা শিক্ষক ক্যাডারে আছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই শিক্ষক কিন্তু বিসিএস পরীক্ষা থেকেই আসছেন। কেউ চয়েস দিয়েছিল? আমি জানি, কেউ চয়েসই করতে চায়নি। মনে করছে, আমি শিক্ষকতাই করব?
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শুধু এসএসসি-এইচএসসি নিয়েই এত কথা বলে বেড়াচ্ছি। আমরা ডিগ্রি, মাস্টার্স ডিগ্রি, অনার্স—এসব কথা বলি না, তাই না? কারণ আমরা মনে করি, তারা নিজের পড়ে নিজে শিখবেই, সময় নষ্ট করবে না। কিন্তু সেখানে কোয়ালিটি আছে কি না, সেটা আমাদের দেখতে হবে।’