শিক্ষকদের পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ বাস্তবায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে আজ রবিবার এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসিচব মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীর অবদান অপরিসীম। সারাদেশের শিক্ষকগণের চাকরির সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধিসহ তাদের কল্যাণ এবং সার্বিক পরিসেবা উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতের আনুপাতিক বাজেট বৃদ্ধি করছে। এতে শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান ও তাদের পেশাদারীত্বের মান বৃদ্ধি পাবে।
এতে বলা হয়, ‘বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী বেতন ভাতা পাচ্ছেন। জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী বেতন ভাতা প্রদান করতে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে অতিরিক্ত ২ হাজার ৫৩১ কোটি ৫৪ লাখ এবং বেসরকারি কলেজসমূহে অতিরিক্ত ৭৩৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকাসহ সর্বোমোট প্রায় ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ অতিরিক্ত প্রয়োজন হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা প্রয়োজন।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ বাস্তবায়নে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুকূলে অতিরিক্ত ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের চিঠির বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া। তিনি লিখেছেন, ‘৩২৬৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেল অন্তর্ভুক্তির জন্য শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে অর্থ মন্ত্রনালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া শিক্ষকদের জন্য দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, বেসরকারি শিক্ষকদের সকল দাবি পূরণ করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।’