শিক্ষকদের বদলির অগ্রগতি জানালেন মাদ্রাসা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
বেসরকারি মাদ্রাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যার তৈরি নিয়ে একটি টেন্ডার হয়েছে। টেন্ডার হলেও ইভ্যালুয়েশন শেষ হয়নি। প্রথম টেন্ডারের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়বার আরেকবার টেন্ডার হবে। এরপর সফটওয়্যার তৈরি হলে শিক্ষকদের বদলির আওতায় নিয়ে আসা হবে।
গতকাল সোমবার দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে এসব কথা জানান মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন।
দুইবার টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কারণ জানতে চাইলে মহাপরিচালক জানান, ‘এটি সার্ভিস টেন্ডার; এজন্য দুইবার করতে হচ্ছে। তবে সব কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে।’
মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম কবে নাগাদ শুরু হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন আরও বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু করতে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি মাস লেগে যেতে পারে। এর আগে বদলি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে না।’
এদিকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে বেতন পাওয়ার বিষয়টি এখন পুরোপুরি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করণীয় কিছু নেই বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
দুই মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, এমপিওভুক্ত জনবল নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন। বিষয়টি নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবের মধ্যে দফায় দফায় আলোচনা হয়েছে। তবে মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের হিসাব হাতে-কলমে করার কারণে সহসাই তারা নতুন স্কেলে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না।
সূত্রের তথ্য বলছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেলে বেতন-ভাতা পেতে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। আবার সেই সময়সীমা আগামী বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্তও লাগতে পারে। সবকিছুই নির্ভর করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের কার্যক্রমের ওপর।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এমপিওভুক্ত জনবলও নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন। তবে বিষয়টি এখন আর আমাদের হাতে নেই। এটি অর্থ বিভাগের হাতে। অর্থ বিভাগ যখন পৃথকভাবে গেজেট জারি করবে, তখন থেকেই শিক্ষক-কর্মচারীরা নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।’